বিশ্বকাপের থিম সং নিয়ে তোপের মুখে ফিফা, ক্ষুব্ধ ফুটবল ভক্তরা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ , ০২:০৪ পিএম


বিশ্বকাপের থিম সং নিয়ে তোপের মুখে ফিফা, ক্ষুব্ধ ফুটবল ভক্তরা
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং ‘গোলস’ প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে ফিফা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) গানটি মুক্তির পর ফুটবলপ্রেমীরা এর লিরিক ও উপস্থাপনাকে ঘিরে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

নতুন এই গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন পপ তারকা লিসা, ব্রাজিলিয়ান গায়িকা আনিতা ও নাইজেরিয়ান শিল্পী রেমা। ‘ট্রপকিল্যাজ’-এর প্রযোজনায় তৈরি গানটিতে কে-পপ, ল্যাটিন পপ ও আফ্রোবিটসের মিশ্রণ রাখা হয়েছে। তবে দৃষ্টিনন্দন ভিডিও ও শিল্পীদের পারফরম্যান্স থাকলেও গানটি ফুটবল ভক্তদের মন জয় করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সমালোচকদের মতে, বিশ্বকাপের গান মানেই ফুটবলের আবেগ, ঐক্য, দেশপ্রেম ও স্টেডিয়াম কাঁপানো উন্মাদনা। কিন্তু ‘গোলস’ গানে সেই আবহের বদলে ব্যক্তিগত গ্ল্যামার, অর্থবিত্ত ও জীবনযাপনের প্রদর্শন বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। গানের কিছু লাইন-‘আমার শরীর, আমার ফিট, আমার বন্ধুরা’, ‘আমার গাড়ি’ কিংবা ‘ক্লাবটা কিনে নাও, আমি এটা করি গল্পের খাতিরে-নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে ব্যাপক সমালোচনা।

এক ক্ষুব্ধ ফুটবল অনুরাগী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, বিশ্বকাপের সময় সারা বিশ্বের মানুষ একসঙ্গে আনন্দ করে। অথচ তারা এখানে রোগা হওয়া, সুন্দরী হওয়া আর ধনী হওয়া নিয়ে গান বানালো!

অনেকে নতুন গানটির সঙ্গে আগের বিশ্বকাপের জনপ্রিয় সংগীতগুলোর তুলনাও করছেন। বিশেষ করে শাকিরার ২০১০ সালের ‘ওয়াকা ওয়াকা’ এবং জাংকুকের গাওয়া ২০২২ সালের ‘ড্রিমার্স’-এর উদাহরণ টেনে ভক্তরা বলছেন, সেই গানগুলোর আবেগ ও শক্তির ধারেকাছেও নেই ‘গোলস’। কেউ কেউ আবার এটিকে ২০২২ সালের বিতর্কিত গান ‘টুকোহ টাকা’র চেয়েও দুর্বল বলে মন্তব্য করেছেন।

তবে সমালোচনার ঝড়ের মধ্যেও গানটির জনপ্রিয়তা কম নয়। ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে প্রকাশের পর ইতোমধ্যেই গানটির ভিউ ২৫ লাখ ছাড়িয়েছে।
 

সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ 

আরটিভি/এসকে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission