দারুণ কাউন্টার অ্যাটাকে মরক্কোর রক্ষণ ভেঙে গোল মুখে এগিয়ে যাচ্ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাকে থামাতে পেছন থেকে ছুটছিলেন মরক্কোর ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই। ভয়ংকর পজিশনে চলে যাচ্ছিলেন এমবাপ্পে।
শেষ পর্যন্ত না পেরে বক্সের ভেতরে ফাউল করেন নুসাইর। থেমে যায় ফ্রান্সের আক্রমণ। আর্জেন্টাইন রেফারির চোখ তা এড়ায়নি। প্রথম কলেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান। মরক্কোও করেনি কোনো প্রতিবাদ। জানতেন তারা, ভুল করেছেন!
ম্যাচের বয়স তখন ২৬ মিনিট। হাইড্রেশন ব্রেকের অপেক্ষা। ঠিক সেই সময়ে ফ্রান্সের জন্য পেনাল্টি আর্শীবাদ হয়ে আসে। কিন্তু দলটির অধিনায়ক ও সুপারস্টার এমবাপ্পে যা করলেন তাতে হৃদয় ভেঙেছে কোটি ভক্তের।
গোলমুখে শট নিলেন। কিন্তু দূর্বল সেই শট ঠেকিয়ে দিলেন ইয়াসিন বুনু। এগিয়ে যাওয়ার দূর্দান্ত সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান্স। কিন্তু দলটির মহাতারকাই পারলেন না সুযোগ কাজে লাগাতে। বিশ্বকাপের পঞ্চম পেনাল্টি শট ঠেকিয়ে দেওয়ার কীর্তি করলেন ইয়াসিন।
প্রথমার্ধের বাকি সময়ে দুই দলের কেউই পারেনি গোল করতে। ফ্রান্স একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও মরক্কোর দেয়াল ভাঙতে পারেনি। অন্যদিকে মরক্কো গোলমুখে কেবল একটিই সুযোগ তৈরি করেছিল। সেটাও বিফলে যায়।
আরটিভি/ এসকেডি



