ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

কাসেমিরোকে দলে নিয়ে তদন্তের মুখে ইন্টার মায়ামি

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৯ পিএম
কাসেমিরোকে দলে নিয়ে তদন্তের মুখে ইন্টার মায়ামি। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগের দল ইন্টার মায়ামি। তবে এই ঘোষণা পর ফ্লোরিডার এই ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে এমএলএস কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি নিয়ে এক বিবৃতিতে এমএলএস বলেছে,‘লিগ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।

ঠিক কোন বিষয়ে এই তদন্ত, সূত্রের বরাতে ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন জানিয়েছে, কাসেমিরোর সঙ্গে যোগাযোগের আগে তার ডিসকভারি প্রায়োরিটি না নেওয়ার অভিযোগে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে এমএলএসের কাছে অভিযোগ করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি।

তবে ইন্টার মায়ামি জানিয়েছে, তারা কাসেমিরো ইস্যুতে এরই মধ্যে এলএ গ্যালাক্সির সঙ্গে ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। এরপরও তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে এমএলএস।

আরও পড়ুন

এ প্রসঙ্গে এমএলএসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাসেমিরোকে চুক্তিবদ্ধ করার ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে ইন্টার মায়ামি ও লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার পরই সেই সমঝোতার বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লাব একসঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড়কে তাদের ডিসকভারি লিস্টে রাখতে পারে। কোনো খেলোয়াড়কে এই তালিকায় রাখলে, সেই ক্লাব ওই খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রথম অধিকার পায় এবং অন্য ক্লাবের আগে চুক্তির সুযোগ পায়।

কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সেই অধিকার ছিল লস অ্যাঞ্জেলেসের কাছে। অর্থাৎ, ইন্টার মায়ামিকে কাসেমিরোর সঙ্গে চুক্তি করতে হলে আগে ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সের এই ক্লাবটির কাছ থেকে তার স্বত্ব নিতে হতো।

এমএলএস এর নিয়মে বলা হয়েছে, কোনো ক্লাব যদি অন্য কোনো ক্লাবের ডিসকভারি লিস্টে থাকা খেলোয়াড়কে দলে নিতে চায় এবং সেই খেলোয়াড়ের ওপর অন্য ক্লাবের বেশি ডিসকভারি প্রায়োরিটি থাকে, তাহলে তারা ওই ক্লাবকে ৫০ হাজার ডলার জেনারেল অ্যালোকেশন মানি (জিএএম) দিয়ে খেলোয়াড়ের সঙ্গে চুক্তির অধিকার নিতে পারে।

নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়কে ডিসকভারি লিস্টে রাখা ক্লাব এরপর পাঁচ দিনের মধ্যে (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার উইন্ডোর সময় তিন দিনের মধ্যে) দুটি সিদ্ধান্ত নিতে পারে। প্রথমত, তারা জিএএম গ্রহণ করে খেলোয়াড়কে সই করার অধিকার ছেড়ে দিতে পারে। অথবা দ্বিতীয়ত, খেলোয়াড়কে একটি যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত চুক্তির প্রস্তাব দিতে পারে।

গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর পর ইন্টার মায়ামি কাসেমিরোর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে ২০২৭ সালের এমএলএস মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি করেছে মায়ামি। তবে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কাসেমিরো নিজেও। ব্রাজিল এ তারকা গতকাল বুধবার বলেছেন, এই পরিস্থিতি নিয়ে, বিশেষ করে আমার ব্যক্তিগত অবস্থান সম্পর্কে আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই। কিছুদিন আগে আমি গ্যালাক্সির সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমি তাদের স্পষ্ট জানিয়েছিলাম যে আমি মায়ামিতে যোগ দিতে চাই। কারণ শেষ পর্যন্ত এটি এমন একটি শহর, যেটিকে আমি ভালোবাসি। ছুটির দিনে আমি, আমার স্ত্রী ও সন্তানরা সবসময় এখানে থাকি। আমরা এই শহরকে চিনি।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সেঞ্চুরির পর সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন সাদমান
টেস্টে ক্রিকেটে নিয়মিত রান করেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। কিন্তু ভালো শুরু করে বড় ইনিংস খেলতে না পারায় অনেক সমালোচনার শিকার হয়েছেন তিনি। তবে এসব সমালোচনাকে মাথায় নিতে চান না মিরপুর টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকানো টাইগার ওপেনার। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। নিজের প্রস্তুতি নিয়ে সাদমান বলেন, গত কিছুদিন আমি এটা নিয়ে অনেক কাজ করছি। আমার কাছে মনে হচ্ছিল ফিটনেস ইস্যু হতে পারে। আমি ফিটনেস নিয়ে ভালো কাজ করছি, হয়তো ব্যাটিংয়েও সমস্যা ছিল। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। আশরাফুল ভাই ছিলেন, সালাউদ্দিন স্যার ছিলেন। তারাও বলেছেন, কিছু কাজ করলে হয়তো ভালো সাফল্য আসতে পারে। মিরপুরের উইকেটে ব্যাটিংয়ের চ্যালেঞ্জও মাথায় রাখতে হয় বলে মনে করেন সাদমান। তবে উইকেট নিয়ে আগেভাগে বেশি চিন্তা না করে বল বুঝে খেলার পরিকল্পনাতেই আস্থা রেখেছেন তিনি।  তার ভাষায়, উইকেট নিয়ে প্রথম থেকেই চিন্তা করিনি। যে বল আসবে, সেটাই খেলব—এটাই সবসময় পরিকল্পনা ছিল। আমরা দেখেছি, মিরপুরের উইকেটে সকালবেলা বা দিনের শেষে ব্যাটারদের একটু সমস্যায় ফেলে। ক্রিকেট জীবনে এসব আসবেই। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা নিয়ে কাজ করলেও সমালোচনা তার প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে দিতে চান না সাদমান। তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়মিত অনুশীলন, পরিশ্রম এবং নিজের প্রক্রিয়ায় স্থির থাকা।  এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমালোচনা আসবেই জীবনে। আমি এসব নিয়ে খুব কম চিন্তা করি। আমার কাজ খেলা, প্র্যাকটিস করা, হার্ডওয়ার্ক করা। আমি সবসময় এই প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকার চেষ্টা করি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রান পাওয়াকে পরিশ্রমের পাশাপাশি ভাগ্যের সঙ্গেও মিলিয়ে দেখছেন সাদমান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বড় ইনিংস খেলতে না পারার যে ঘাটতি ছিল, তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যেতে চান তিনি।  টাইগার ওপেনার বলেন, আমার কাজ খেলা, আমি খেলি। কে কখন আসবে, কোন দল আসবে, এটা হয়তো আল্লাহ আমাকে এভাবে রেখেছেন যে ওদের সঙ্গে রান করতে হবে। পুরোটাই হার্ডওয়ার্ক আর লাক। আরটিভি/এসআর
সেঞ্চুরির পর সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন সাদমান
মিরপুর টেস্ট / তাইজুলের জোড়া আঘাতে স্বস্তি নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করল বাংলাদেশ
আলোর স্বল্পতা ও বেরসিক বৃষ্টির কারণে আগেভাগে শেষ হয়েছে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা। শেষ দিকে মিরাজ ও তাইজুলের জোড়া শিকারে পরিস্থিতি বদলে লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে ১৩৪ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। তারা পিছিয়ে ১৩৮ রানে।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা স্বাগতিকরা ২৭২ রানে গুটিয়ে গেছে। তার পর ব্যাট হাতে দারুণ জবাব দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় সেশনের ‍শুরুতে হাসান মাহমুদের বলে একটি উইকেট হারালেও জন ক্যাম্পবেলের ফিফটিতে ১ উইকেটে ৮৯ রান নিয়ে চায়ের বিরতিতে যায় দুই দল।  মেঘলা আকাশের কারণে বিরতিটা আগেভাগেই নিতে হয়েছে। তার পর বৃষ্টির কারণে দেরিতে শুরু হয় খেলা।  বিরতির পর মাঠে ফিরেই ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের পর তাইজুল ইসলামের জোড়া আঘাতে মিরপুর টেস্টে চাপে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।  বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ থাকার পর ৩১তম ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মিরাজ। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৭৮ বলে ৫৪ রান করা জন ক্যাম্পবেলকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ক্যাম্পবেলের ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা। তার পর ইনিংসের ৩৬তম ওভারে পরপর দুই ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান তাইজুল ইসলাম। প্রথমে কাভেম হজকে ৭ রানে ফিরিয়ে দেন তিনি। এরপর কোনো রান না করেই তাইজুলের শিকার হন আমির জাঙ্গু। তাতে মিরাজের পর তাইজুলের এই জোড়া আঘাতে ম্যাচে শক্তভাবে ফেরে বাংলাদেশ। ছোটখাটো ধসের পর অবশ্য কোনও ঝামেলা ছাড়াই দিন পার করেন তেজনারায়ণ চন্দরপল (৪৩) ও জাস্টিন গ্রিভস (১৫)। তাইজুল ৪৪ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে নিয়েছেন হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।  আরটিভি/এসআর
তাইজুলের জোড়া আঘাতে স্বস্তি নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করল বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ / মন্টেনেগ্রোর জালে ১ হালি দিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের কিশোররা।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেছেন পাভেল। বাকি দুটি গোল এসেছে বায়জিদ ও শাবকের পা থেকে। এদিন ম্যাচের ৯ মিনিটেই বায়জিদের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাভেল। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশের যুবারা।  ৩৪ মিনিটে শাবক গোল করার দুই মিনিট পর, ৩৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন পাভেল। চার গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশের কিশোররা। এই জয়ে প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে উঠেছে দলটি। আরটিভি/এসআর
মন্টেনেগ্রোর জালে ১ হালি দিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ
বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের সাবেক ক্রীড়াশিক্ষক বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
এশিয়া কাপ আর্চারিতে দ্বিতীয় সোনা জিতল বাংলাদেশ 
এশিয়া কাপ আর্চারির পুরুষ রিকার্ভ দলগত ইভেন্টে সোনা জিতেছে বাংলাদেশ। এশিয়া কাপ ও বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় লেগে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সোনা।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ফাইনালে কাজাখস্তানকে ৬–২ সেট পয়েন্টে হারিয়েছেন আবদুর রহমান আলিফ, সাগর ইসলাম ও মোহাম্মদ রাফি। চার সেট মিলিয়ে বাংলাদেশ পেয়েছে ২১২ পয়েন্ট ও কাজাখস্তান ২১০। প্রথম সেটে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে পরের তিন সেটেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয় বাংলাদেশের আর্চাররা। লাল-সবুজদের পক্ষে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট তুলেছেন আলিফ। চার সেটে তার সংগ্রহ ৭৬ পয়েন্ট। রাফি করেছেন ৭০ এবং সাগর ৬৬।  ‎ফাইনালের প্রথম সেটে বাংলাদেশ তোলে ৫০ পয়েন্ট, কাজাখস্তান ৫৩। দ্বিতীয় সেটেই ঘুরে দাঁড়ান সাগর–আলিফরা। বাংলাদেশ ৫৫ ও কাজাখস্তান ৫৪ পয়েন্ট তোলে। তাতেই ম্যাচে সমতা ফেরে। তৃতীয় সেটেও আধিপত্য ধরে রেখে ৫৫ পয়েন্ট তোলে বাংলাদেশ। কাজাখস্তান করে ৫২। শেষ সেটে দুই দলই চাপের মধ্যে ছিল। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৫২–৫১ পয়েন্টে জিতে ৬–২ ব্যবধানে ম্যাচটা নিজেদের করে নেয়। আরটিভি/এসআর
এশিয়া কাপ আর্চারিতে দ্বিতীয় সোনা জিতল বাংলাদেশ 
আরও পড়ুন
১৩ বছর পর আবারও যে দুঃস্বপ্নের সামনে মেসি
রোনালদোর যে রেকর্ড ভাঙলেন মেসি
মেসির পেনাল্টি মিসের ম্যাচে মায়ামির বড় পরাজয় 
আবারও মেসি-সুয়ারেজের সঙ্গে খেলবেন নেইমার