প্রতিদিনের জীবনে স্মার্টফোন এখন অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। অফিস, শিক্ষালয় থেকে শুরু করে বিনোদন সব জায়গাতেই এই ডিভাইসটির ব্যবহার অনিবার্য। তবে অনেকেই জানেন না, একটি স্মার্টফোন গড়ে কতদিন কার্যকর থাকে বা তার আয়ু কীভাবে বাড়ানো যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি স্মার্টফোন সাধারণত গড়ে ৩ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত ভালোভাবে ব্যবহারযোগ্য থাকে। যদিও ফোনটির গড় আয়ু নির্ভর করে তার মান, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার আপডেট এবং ব্যবহারকারীর যত্নের ওপর।
ফোনের আয়ু নির্ধারণে যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ:
হার্ডওয়্যার ও নির্মাণ গুণগত মান: উন্নত প্রসেসর, শক্তিশালী ব্যাটারি এবং ভালো কনস্ট্রাকশন থাকলে ফোন অনেক দিন স্থায়ী হয়।
সফটওয়্যার আপডেট: যেসব ফোন নিয়মিত অপারেটিং সিস্টেম ও নিরাপত্তা আপডেট পায়, সেগুলোর আয়ু তুলনামূলকভাবে বেশি।
ব্যবহার পদ্ধতি: নিয়মিত ভারী গেম খেলা, ভিডিও এডিটিং বা দীর্ঘ সময় স্ট্রিমিং করলে ফোন দ্রুত পারফরম্যান্স হারাতে পারে।
ব্যাটারির অবস্থা: প্রায় প্রতিটি ফোনেই ২-৩ বছরের মধ্যে ব্যাটারির ব্যাকআপ কমে যেতে দেখা যায়।
ফোনের আয়ু বাড়াতে যা করবেন:
. অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে ফোনকে বাঁচান
. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট দিন
. চার্জ ২০% থেকে ৮০% এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন
. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ও ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ রাখুন
. ভালো মানের চার্জার ও কভার ব্যবহার করুন
. প্রয়োজনে ব্যাটারি পরিবর্তন করুন
. কখন বুঝবেন ফোন বদলানোর সময় হয়েছে?
. ফোনে আর কোনো সফটওয়্যার আপডেট আসে না
. ব্যাটারির ব্যাকআপ এক ঘণ্টার নিচে নেমে গেছে
. ফোন ধীরগতিতে চলছে বা প্রায়ই হ্যাং করছে
. নতুন অ্যাপ ইন্সটল করা যাচ্ছে না
. ক্যামেরার মান একেবারে খারাপ হয়ে গেছে
স্মার্টফোন কত দিন ব্যবহার করা যাবে, তা নির্ভর করে ব্যবহারকারীর সচেতনতার ওপর। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত যত্নের মাধ্যমে একটি ভালো মানের স্মার্টফোন ৪-৫ বছর পর্যন্ত ভালোভাবে ব্যবহার করা সম্ভব। তাই নতুন ফোন কেনার সময় শুধু ক্যামেরা বা ডিজাইন নয়, সফটওয়্যার আপডেট সাপোর্ট ও নির্মাণমানের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
আরটিভি/এসকে





