মাত্র কয়েকদিন আগেই চন্দ্রগ্রহণ দেখেছে বিশ্ব। এবার সূর্যগ্রহণের বিরল দৃশ্য দেখার অপেক্ষায় বিশ্ববাসী। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছে ২১ সেপ্টেম্বর হতে পরে সূর্যগ্রহণ। তাই অনেকেই প্রশ্ন করছেন, বাংলাদেশ থেকে কি সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে?
গত ৭ সেপ্টেম্বর দেখা গিয়েছিল এক অপূর্ব চন্দ্রগ্রহণ, যাকে অনেকেই ‘রক্তচন্দ্র’ বলছেন। আর এর ঠিক ১৫ দিন পরে, অর্থাৎ ২১ সেপ্টেম্বর ঘটতে চলেছে বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ।
এটি একটি আংশিক সূর্যগ্রহণ (Partial Solar Eclipse)। অর্থাৎ চাঁদ সূর্যের একটি অংশ ঢেকে ফেলবে। ফলে সূর্যকে আকাশে অর্ধচন্দ্রাকার বা বাঁকানো রূপে দেখা যাবে।
এই সূর্যগ্রহণটি আবারও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে কারণ এটি সেপ্টেম্বর বিষুবকাল (Equinox) এর একদিন আগে ঘটছে। সেপ্টেম্বর ২২ তারিখে উত্তর গোলার্ধে শরতের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। সেই সময় দিন-রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে। তাই এই গ্রহণকে বলা হয়, ‘বিষুবগ্রহণ’।
সূর্যগ্রহণ শুরু হবে সন্ধ্যা ১৯:৪৩ থেকে। কিছুক্ষণ পরেই তা সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছবে। এই গ্রহণ সামান্য সময়ের ব্যবধানে শেষ হয়ে যাবে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী এর পার্থক্য থাকবে।
যেসব দেশে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে
নিউজিল্যান্ড, পূর্ব অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন অঞ্চলে এই দৃশ্য দেখা যাবে। নিউজিল্যান্ডের ডুনেডিন শহরে সূর্যের প্রায় ৭২% পর্যন্ত ঢাকা পড়বে। অ্যান্টার্কটিকার দর্শকদের জন্যও এটি হবে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য, কারণ সেখানে তুলনামূলক বিস্তৃত কভারেজ দেখা যাবে। দুঃখজনক হলেও ভারত এবং উত্তর গোলার্ধের অধিকাংশ দেশে এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না।
ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, এমনকী আমেরিকার অধিকাংশ অঞ্চল থেকেও দেখা যাবে না এই দৃশ্য। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ভারতীয়রা সরাসরি না দেখতে পেলেও, এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
আরটিভি/এসআর




