ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

ইন্টারনেটের গতি বাড়ে যেভাবে

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০২ পিএম
প্রতীকী ছবি

স্মার্টফোন এবং উচ্চগতির ইন্টারনেটের এই যুগে ফাইভজি হ্যান্ডসেট বা দামী ডেটা প্যাক ব্যবহারের পরেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া যায় না। ধীরগতির ইন্টারনেট দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজ থেকে শুরু করে বিনোদন বা গেমিং—সব ক্ষেত্রেই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তবে বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তিবিদদের মতে, কিছু ছোটখাটো কৌশল অবলম্বন করলেই স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।

ইন্টারনেটের ধীরগতির অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে ভুল নেটওয়ার্ক মোড নির্বাচন। দ্রুতগতির সেবা পেতে হলে ফোনের সেটিংস থেকে সঠিক নেটওয়ার্ক মোড বেছে নেওয়া জরুরি। অনেক সময় ফাইভজি হ্যান্ডসেট হওয়া সত্ত্বেও সেটিংসের সীমাবদ্ধতার কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে যায়।

এমন ক্ষেত্রে ফোনের সেটিংস থেকে ডিভাইস নেটওয়ার্ক অপশনে গিয়ে সিমকার্ড অনুযায়ী এলটিই, ফোরজি বা ফাইভজি মোড সঠিকভাবে সক্রিয় আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।

স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সচল থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখে। আমরা অনেক সময় অ্যাপ ব্যবহার শেষ করে সরাসরি হোম বাটনে চলে আসি, ফলে অ্যাপগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে এবং প্রচুর ডেটা খরচ করে।

আরও পড়ুন

ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে হলে ফোনের ‘রিসেন্ট অ্যাপ’ মেনু থেকে অব্যবহৃত অ্যাপগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। এছাড়া যেসব অ্যাপ একদমই কাজে লাগে না, সেগুলো ফোন থেকে ডিলিট করে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

দ্রুত ইন্টারনেট স্পিড পাওয়ার আরেকটি কার্যকরী উপায় হলো ফোনের লোকেশন বা জিপিএস পরিষেবা বন্ধ রাখা। গুগল ম্যাপসহ লোকেশননির্ভর বিভিন্ন অ্যাপ ফোনের ডেটা ও র‍্যামকে অতিরিক্ত ব্যস্ত রাখে।

এমনকি এসব অ্যাপ সরাসরি ব্যবহার না করলেও সেগুলো প্রতিনিয়ত তথ্য সংগ্রহের জন্য ইন্টারনেটের ডেটা ব্যবহার করতে থাকে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ফোনের কন্ট্রোল প্যানেল বা সেটিংস থেকে লোকেশন অপশনটি বন্ধ রাখলে ইন্টারনেটের গতি আগের চেয়ে অনেক বেশি পাওয়া সম্ভব।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তরুণদের ক্ষতির অভিযোগে চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮ অঙ্গরাজ্যের মামলা
কিশোরসহ ব্যবহারকারীদের আত্মহানি ও অন্যের ক্ষতি করার মতো বিপজ্জনক কাজে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আটটি অঙ্গরাজ্য।
তরুণদের ক্ষতির অভিযোগে চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮ অঙ্গরাজ্যের মামলা
তিন মাসে আয় লাফিয়ে ১ হাজার ৬৮০ কোটি ডলার, শেয়ারবাজারে আসছে অ্যানথ্রোপিক
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিকের আয় দ্রুত বাড়ছে।
তিন মাসে আয় লাফিয়ে ১ হাজার ৬৮০ কোটি ডলার, শেয়ারবাজারে আসছে অ্যানথ্রোপিক
গুগলে পুরুষরা সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন যেসব বিষয়
কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা কিংবা অজানা বিষয় সম্পর্কে ধারণা পেতে গুগলে সার্চ করেন অনেকেই। স্বাস্থ্য, রূপচর্চা, শরীরচর্চা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের নানা কৌতূহল মেটাতে সার্চ ইঞ্জিনটির ওপর নির্ভর করেন ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে রাতের অবসর সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুসন্ধান করেন অনেকে।
গুগলে পুরুষরা সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন যেসব বিষয়
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কনটেন্ট চেনা, বোঝা এবং দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের জন্য বিশেষ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘টিকটক’।
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে
মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্কের বাইরে থেকেও যোগাযোগের সুযোগ দিতে আসছে স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সেবা। বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংক প্রযুক্তির এ সুবিধা দুর্গম পাহাড়, উপকূল, সমুদ্র ও নেটওয়ার্কবিহীন এলাকায় যোগাযোগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। এ সেবার প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে বিনা মূল্যে স্যাটেলাইট সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যেভাবে চালু করবেন সেবা এ সেবা ব্যবহারের জন্য আলাদা স্যাটেলাইট ফোন, ডিশ, অ্যান্টেনা কিংবা বিশেষ কোনো যন্ত্র কেনার প্রয়োজন নেই। তবে শুধু ফোরজি ফোন ও বাংলালিংক সিম থাকলেই সেবাটি ব্যবহার করা যাবে না। এ জন্য ফোনের সামঞ্জস্য, স্যাটেলাইট কাভারেজ এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। সেবাটি নিজের নম্বরে চালু আছে কি না, তা জানতে বাংলালিংকের মাইবিএল (MyBL) অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যাবে অপারেটরের গ্রাহকসেবায়। পাশাপাশি ফোনের সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখা এবং ফোরজি সুবিধা সক্রিয় আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে? স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করে জটিল সেটআপ করার প্রয়োজন নেই। তবে ফোনটি এ প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এবং অপারেটরের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। কখন স্যাটেলাইটের সঙ্গে যুক্ত হবে ফোন? প্রচলিত মোবাইল টাওয়ারের কাভারেজের বাইরে চলে গেলে উপযুক্ত ফোন স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে খোলা আকাশের নিচে থাকা সুবিধাজনক। ভবন, পাহাড় বা অন্য কোনো বড় বাধা সংযোগে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নেটওয়ার্কের বাইরে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্যাটেলাইট সংযোগ পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। ফোনের মডেল, ব্যবহারকারীর অবস্থান, স্যাটেলাইট কাভারেজ ও অপারেটরের নির্ধারিত শর্তের ওপর সেবাটি নির্ভর করবে। প্রথম মাসে ফ্রি, এরপর কী? বাংলালিংকের ঘোষিত অফার অনুযায়ী, সেবা চালুর প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট বা মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই স্যাটেলাইট সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। দ্বিতীয় মাস থেকে নির্দিষ্ট মাসিক ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গেও এ সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে পাঁচটি বিনা মূল্যের এসএমএস দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। তবে কোন কোন প্যাকে এ সুবিধা পাওয়া যাবে, অফারটি পেতে অতিরিক্ত শর্ত রয়েছে কি না এবং সুবিধা গণনার তারিখ কী এসব তথ্য বাংলালিংকের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা থেকে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। স্যাটেলাইট সংযোগে কী করা যাবে? প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে সীমিত যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করাই এ সেবার মূল উদ্দেশ্য। দুর্গম এলাকা, সমুদ্র, উপকূল কিংবা দুর্যোগের সময় প্রচলিত নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয়ে পড়লে এ প্রযুক্তি কাজে আসতে পারে। স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে মেসেজিং, অবস্থানভিত্তিক কিছু সুবিধা এবং নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকতে পারে। তবে সব অ্যাপ বা অনলাইন সেবা এতে কাজ করবে না। প্রচলিত ফোরজি বা ফাইভজি ইন্টারনেটের মতো উচ্চগতির সংযোগও আশা করা ঠিক হবে না। ডিশ বা অ্যান্টেনা বসানোর প্রয়োজন নেই প্রচলিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের সঙ্গে ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তির পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট স্থানে ডিশ বা অ্যান্টেনা বসাতে হয়। কিন্তু ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ মোবাইল ফোন সরাসরি স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। ফলে বাড়ি বা অফিসে আলাদা ডিশ বসানোর প্রয়োজন হয় না। তবে ফোনের সামঞ্জস্য এবং অপারেটরের সেবার আওতাভুক্ত হওয়া জরুরি। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা কি পাবেন? বাংলাদেশে সেবাটি বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য চালুর কথা বলা হয়েছে। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা একই সুবিধা পাবেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। অর্থাৎ, শুধু ফোরজি ফোন থাকলেই স্টারলিংকভিত্তিক এ সেবা ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজন হবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফোন, উপযুক্ত সিম এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা। সংযোগ না পেলে করণীয় ফোনে ফোরজি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও স্যাটেলাইট সংযোগ না পেলে প্রথমে ফোনের সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সেটিংস পরীক্ষা করতে হবে। এরপর মাইবিএল অ্যাপে সেবাটি নম্বরে চালু আছে কি না, তা দেখতে হবে। এসব পরীক্ষা করার পরও সংযোগ না পেলে বাংলালিংকের গ্রাহকসেবায় যোগাযোগ করে ফোনের সামঞ্জস্য, নম্বরের যোগ্যতা, কাভারেজ এবং অফারের শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াই ভালো। আরটিভি/এসকে
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে