পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে জাতীয় ঈদগাহে শুধু জায়নামাজ, ছাতা, মোবাইল ফোন আনা যাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। তবে আনা যাবে না ব্যাগ, কোনো দাহ্য বস্তু।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, এবারও জাতীয় ঈদগাহ ময়াদানে সকাল সাড়ে আটটায় নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররমে মোট ৫টি জামাত আদায় করা হবে। ঢাকা মহানগরে ১২১টি ঈদগাহ মাঠ প্রস্তুত আছে। এর বাইরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাণিজ্য মেলায় নামাজ আদায় করার ব্যবস্থা আছে।
নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের জামাতে একাধিক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। প্রবেশপথগুলোতে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর বসানো হবে। আশপাশের পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হবে। ঈদগাহ ময়দানের আশেপাশের রাস্তায় কোনো যানবাহন প্রবেশ বা পার্কিং করা যাবে না। মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব এবং শিক্ষা ভবনকে এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঈদগাহে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু ডাইভারশন থাকবে। এলাকার নাম জিরো পয়েন্ট, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, দোয়েল চত্বর ও মৎস্য ভবন।
যদি বৃষ্টি বা প্রতিকূল আবহাওয়া থাকে তাহলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের জামাতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
আরটিভি/এসকে




