এআই প্রযুক্তিতে ট্রাফিক মনিটরিং, এক সপ্তাহে ৩শ' মামলা

আরটিভি নিউজ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬ , ০৬:২৭ পিএম


এআই প্রযুক্তিতে ট্রাফিক মনিটরিং, এক সপ্তাহে ৩শ' মামলা
ছবি: সংগৃহীত

এআই ক্যামেরার আওতায় ট্রাফিক আইন অমান্য করায় গত এক সপ্তাহে ৩শ'র বেশি মামলা হয়েছে। এই ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হলে প্রতিদিন এক হাজারের বেশি মামলা হবে বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. সরওয়ার।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় এয়ারপোর্ট সড়কে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট উদ্বোধন শেষে এ তথ্য জানান তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা শহরকে আধুনিকায়ন করার জন্যই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ক্রসিং বা উল্টোপথে যানবাহন চলাচল করলেই ডিজিটাল মামলা হবে। যার বিরুদ্ধে মামলা হবে, তিনি নিজেই ভিডিওতে তার অপরাধ দেখতে পারবেন।

মো. সরওয়ার বলেন, শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই মূলত এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আপাতত রাজধানীর আটটি পয়েন্টে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট লাগানো হয়েছে। 

প্রায় ৩০টি পয়েন্টে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন

এর আগে, ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো.সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণ-বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবা দেওয়ার জন্য ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, প্রতিবন্ধকতা ইত্যাদি ট্রাফিক আইন অমান্যকারী মালিক-চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মালিক-চালকদের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড নোটিশ রেজিস্ট্রি করা ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। ওই নোটিশ পাওয়ার পর মালিক-চালকরা ডিএমপি সদর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহণ আইন নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক-মোবাইল ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করছেন।

এতে বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট মালিক-চালকরা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া (সমন/গ্রেফতারি পরোয়ানা) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের কার্যক্রম সম্প্রতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা/ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধ সংক্রান্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরামর্শ প্রদান করা হলো। কোনো ব্যক্তি বা অসাধু চক্র ভিডিও/সিসি ক্যামেরার মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের বার্তা দিলে বা প্রতারণার চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

গণ-বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপি সম্প্রতি বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিংসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় উন্নত প্রযুক্তির সিসি ক্যামেরা এইআই প্রযুক্তিসহ স্থাপন করা হয়েছে এবং এসকল ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সিগন্যাল/ক্রসিংয়ে লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য/স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো রাস্তায় চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা, অবৈধ পার্কিং, লেফট লেন ব্লক ইত্যাদি কারণে ডিজিটাল প্রসিকিউশন/মামলা শুরু হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission