ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো জীবন ওদের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১০:৫৯ এএম
প্রতীকী ছবি

রাতুলের বয়স দশ বছর। এই বয়সেই নিজে আয় করে চলতে হয় রাতুলকে। রাজধানীর ধানমন্ডি লেক এলাকায় ‘হাওয়াই মিঠাই’ বিক্রি করে জীবন চালায় দেখতে ফুটফুটে চেহারার ছেলেটি। পাশাপাশি বিকেল বেলা পথশিশুদের একটি বিদ্যালয়ে পড়ে। শুধু রাতুলই নয়, ধানমন্ডি লেক এলাকায় এমন অনেক দুর্ভাগাকে শিশু বয়সেই নিজের উপার্জনে চলতে হয়। অনেককে আবার এই উপার্জন থেকে সাশ্রয় করে বাড়ির জন্যও টাকা পাঠাতে হয়। এদের ‘হাওয়াই মিঠাই’ জীবনের গল্প প্রায় একই রকম।

গত সপ্তাহে দেখা হয় রাতুলের সঙ্গে। হাতে একটি লোহার পাইপে করে হাওয়াই মিঠাই নিয়ে বেরিয়েছে। পরনে হাঁটু পর্যন্ত লম্বা একটা সবুজ পাঞ্জাবি। কচি মুখে সরলতা মাখানো, তবে হাসি নেই সেখানে।

রাতুলের বাড়ি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায়। তবে গৌরনদীর কোথায় সেটা বলতে পারে না। ছোট বেলায়ই মাকে ছেড়ে রাতুলের বাবা চলে গেছে। এরপর মা মারা যান। গরীব নানির কাছে মানুষ। দু-মুঠো খেতেও পেত না। তাই আট বছর বয়সেই ঢাকায় পাড়ি জমায়। এখন হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতা। একেকটার দাম দশ টাকা।

কথা বলতে কোনো প্রকার অস্বস্তি নেই রাতুলের। আপন মনেই বলতে থাকে, বিকেল বেলায় ধানমন্ডি লেকেই হাওয়াই মিঠাই তৈরিকারী এক ব্যক্তির কাছ থেকে সে নিজে এবং আরও কয়েক শিশু সেগুলো বাকিতে কিনে নেয়। বিক্রির পর দাম শোধ করে ওরা। যতক্ষণ বিক্রি না হয়, যত রাতই হোক, ওরা সাধারণত ফেরে না। এভাবে দিনে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশটি হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে রাতুল। এতে ১৫০-২০০ টাকা আয় হয়। এ দিয়ে নিজের থাকা-খাওয়া চলে। থাকে রবীন্দ্র সরোবরে খোলা জায়গায়। এখানেই একটি বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে রাতুল।

রাতুল বলে, মাঝে-মধ্যে নানির কাছে যেতে মন চায়। কিন্তু সব সময় যেতে পারে না। হাওয়াই মিঠাই বিক্রির টাকা যে, নিজের থাকা-খাওয়াতেই শেষ হয়ে যায়।

ধানমন্ডি লেক এলাকায় কথা হয় চায়ের ফেরিওয়ালা মো. শাকিব (১২) ও বাদাম বিক্রেতা ওয়ালীউল্লাহর (১৩) সঙ্গে।

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় বাড়ি শাকিবের। ওয়ালীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে। শাকিব এখানে এসেছে কয়েক মাস হলো। ওয়ালীউল্লাহ এক বছরের বেশি সময় ধরে।

শাকিব জানায়, তারা ছয় ভাই, এক বোন। বাবা কামলা দেন। বাড়িতে ঠিকমতো খেতে পেত না। অন্যদের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এ নিয়ে বাবা-মা বকতেন। তাই বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছে।

আরও পড়ুন

বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চা বিক্রি করে দিনে প্রায় পাঁচশ’ টাকা আয় করা শাকিব থাকে মোহাম্মদপুরে। এক রুমে থাকে কয়েকজন। এখন মাসে বাড়িতে হাজার পাঁচেক করে টাকাও পাঠাতে পারে শাকিব। তবে বিদ্যালয়ে যায় না।

বাদাম বিক্রেতা ওয়ালীউল্লাহ জানায়, সাতজনের পরিবার ওদের। গরীব বাবার সংসারে যথারীতি অভাবের শেষ নেই। বাধ্য হয়ে বছর খানেক আগে এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে ঢাকায় আসা। দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে ওয়ালীউল্লাহ। এখন আর পড়ে না। শুক্রাবাদে একটি রুমে গাদাগাদি করে নয়জন থাকে।

ওয়ালীউল্লাহ বলে, একটু হিসেব করে চলার কারণে মাসে ৭-৮ হাজার করে টাকা বাড়িতে পাঠাতে পারে। দিনে আয় ৭০০-৮০০ টাকা। মাঝে মাঝে বাড়ি যাওয়ার প্রবল ইচ্ছে জাগলেও যেতে পারে না।

কথা হয় লেক এলাকার দর্শনার্থী ও সাংবাদিক রাকিব মোজাহিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, হাওয়াই মিঠাইয়ের মতোই জীবন এদের। সামান্য বাতাসেই মিইয়ে যায় ওরা। ওদের জন্য সরকারের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

এ বিষয়ে শিশু অধিকার কর্মী আব্দুস শহীদ মাহমুদ বলেন, এসব শিশু এত কষ্ট করে রোজগার করে নিজের জীবিকা চালায় এবং পরিবারের জন্য টাকা পাঠায় সেটা ইতিবাচক। তবে এই বয়সে তো তাদের এ কাজ করার কথা নয়। এ সময় তাদের পড়ালেখা ও সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত থাকার কথা। তাই সরকারের উচিত এসব শিশুর বিষয়ে কিছু করা। প্রয়োজনে যথাযথ তদারকির ব্যবস্থা রেখে বেসরকারি সংস্থাকেও এসব শিশুর উন্নয়নের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।

সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর...
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বাসা বা হোটেলে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ। পরে সেসব ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হতো মোটা অঙ্কের টাকা। এভাবে একের পর এক ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টুরোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবি প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান (৩৮), প্রীতম বিশ্বাস ওরফে অনিক শেখ (৩০), অর্থজীৎ ভক্ত ওরফে সিদ্ধার্থ (২০), সাবরিন কবির প্রেমা ওরফে নেহা (২২) ও সাদিয়া ইয়াসমিন ওরফে মাহি (২১)। পুলিশের ভাষ্য, জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান চক্রটির মূল হোতা। প্রীতম তার ভাগিনা এবং সাবরিন তার ভাগিনার স্ত্রী। ডিবি প্রধান জানান, চার ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে চক্রটিকে শনাক্ত করতে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। চক্রের সদস্যরা ঘনঘন বাসা ও আস্তানা পরিবর্তন করতেন। পাশাপাশি ভুয়া নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চক্রটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর তুরাগ থানা এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি মোবাইল ফোন, তিনটি ফাঁকা চেক ও একটি টর্চার বেল্ট উদ্ধার করা হয়। ডিবি প্রধান বলেন, চক্রটির নারী সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পরিচয় ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের টার্গেট করা হতো। পরে কৌশলে তাদের নির্ধারিত বাসা বা হোটেলে আসতে প্রলুব্ধ করা হতো। ভুক্তভোগীরা সেখানে গেলে চক্রের পুরুষ সদস্যরা তাদের জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখাতেন এবং শারীরিক নির্যাতন করতেন। এ সময় নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হতো। পরে এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া কিংবা ভুক্তভোগীদের আত্মীয়স্বজনের কাছে পাঠানোর হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন চক্রের সদস্যরা। তিনি আরও জানান, একবার টাকা আদায়ের পরও চক্রটি থেমে থাকত না। ধারণ করা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আরও টাকা আদায় করা হতো। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি। আরটিভি/এসআর
প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর...
বিগত ১৭ বছরে পাড়ায়-পাড়ায় মাদকের আখড়া তৈরি করা হয়েছে: আইজিপি
বিগত ১৭ বছর সরকারিভাবে প্যাট্রোনাইজ করে দেশের পাড়ায় পাড়ায় মাদকের আখরা তৈরি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রোবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে পুলিশের সংখ্যা মাত্র ২ লাখ ১৫ হাজার। আমরা এই বছরে ২০ হাজার লোক নিয়োগ দেব। কিন্তু আমাদের একসঙ্গে ২০ হাজার লোক প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো জায়গা নেই। এখন নতুন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। দেশের উন্নয়ন নিয়ে মহাপরিদর্শক বলেন, একটা দেশের উন্নয়নের জন্য কোনো শর্টকাট ভূমিকা নেই। আপনারা সবাই মিলে যদি সরকারকে সহযোগিতা না করেন, তাহলে দেশ আগাবে না। দেশের শান্তি-সম্মৃদ্ধি উন্নয়নের জন্য, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সবাই মিলে কাজ করতে হবে। এ ছাড়াও সমাবেশে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রোবাদ প্রতিরোধে নানা নির্দেশনা দেন পুলিশ প্রধান মো. আলী হোসেন ফকির। তার ভাষ্য, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসিদের নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি জেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যন্ত থাকবে। আপনারা জানেন কার ছেলে কি করে। তাই আপনাদের তথ্যের মাধ্যমেই কিশোর গ্যাংয়ের দৌরত্ম্য কমবে। সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে দক্ষ সাইবার ইউনিট গঠন করা হয়েছে। যারা গুজব ও মব প্রতিরোধে কাজ করবে বলে জানান আইজিপি। দেশে যুবকদের অপরাধে জড়ানোর কারণ হিসেবে বেকারত্বকে দায়ী করে আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রতিবছর দেশে ২৭ লাখ বেকার যোগ হচ্ছে। এদের ভেতরে হতাশা এবং যে জীবনী শক্তি আছে তা আমরা ব্যবহার করতে পারছি। ব্যবসায়ীরাও বিনিয়োগ করছে না। তারা টাকা ব্যংকে রেখে দিচ্ছে। বিনিয়োগ না করলে কর্মসংস্থান তেরি হবে না। মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, গত দুই মাসে আমি ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে জেলে পাঠিয়েছি মাদকের কারণে। আগে ঘর পরিস্কার হোক, তারপরে আপনারা পরিস্কার হবেন। তবে মাদকের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান পুলিশ প্রধান। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে আইজিপি বলেন, গুজব, আপা আসবে, কে আসবে আর না আসবে, তা নিয়ে আমাদের প্রশাসনের, কমিউনিটি পুলিশের কোনো ভাবনা নেই। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিলুর ইসলামের সভাপতিত্বে সভায়, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, সরকারি পিসি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মিসেস পারভীন আক্তার, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনু, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা প্রদীপ বসু শন্তুসহ জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রোবাদ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। আরটিভি/ এসআর
বিগত ১৭ বছরে পাড়ায়-পাড়ায় মাদকের আখড়া তৈরি করা হয়েছে: আইজিপি
মেট্রোরেলের সব স্টেশনে বসছে নতুন সিস্টেম
রোববার (২৫ অক্টোবর) ডিএমটিসিএলের পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
মেট্রোরেলের সব স্টেশনে বসছে নতুন সিস্টেম
ছুটি শেষে চেনা রূপে ঢাকা
টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতেই রাজধানীর সড়কে বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন নগরবাসী। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের ভিড়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠে সড়ক।
ছুটি শেষে চেনা রূপে ঢাকা
রাজউকের সেবায় নতুন গতি, ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন
একইসঙ্গে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি এবং আবেদনে কোনো ঘাটতি থাকলে মোবাইল ফোন বা ই-মেইলের মাধ্যমে তা জানানোর ব্যবস্থা চালু হওয়ায় সেবায় গতি ও স্বচ্ছতা বাড়ছে।
রাজউকের সেবায় নতুন গতি, ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন
আরও পড়ুন
হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্যের কাচারি ঘর
বিয়ে নিয়ে ১২ বাস্তব সত্য, যা কেউ আগে থেকে বলে না
২০ বছরের কর্মজীবন শেষে ঘোড়ার গাড়িতে আবেগঘন বিদায়
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়