দুই বাংলাদেশিকে নিয়ে গেল বিএসএফ, প্রতিবাদে দুই ভারতীয়কে ধরে আনলো গ্রামবাসী

দিনাজপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ  

শুক্রবার, ০২ মে ২০২৫ , ০৪:১০ পিএম


দুই বাংলাদেশিকে নিয়ে গেল বিএসএফ, প্রতিবাদে দুই ভারতীয়কে ধরে আনলো গ্রামবাসী
ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুরের বিরলের ধর্মজৈন সীমান্ত থেকে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে দুই ভারতীয় নাগরিককে ধরে এনে আটকে রেখেছেন বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী। 

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২ মে) দুপুরে বিরল উপজেলার ধর্মজৈন সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। 

বিএসএফের হাতে আটক বাংলাদেশিরা হলেন—ওই এলাকার ইসরায়েল ইসলামের ছেলে এনামুল ইসলাম (৫০) ও এনামুল ইসলামের ছেলে মাসুম (১৫)। 

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়রা জানান, বিরলের ধর্মপুর ইউনিয়নের ধর্মজৈন সীমান্তে ধান কাটছিলেন মাসুদ ও এনামুল নামের দুই কৃষক। দুপুর ১২টার দিকে ৩২০ মেইন পিলারের সাব পিলার ৯ ও ১০ এর মাঝামাঝি থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ। এ ঘটনার প্রতিবাদে দুই ভারতীয় নাগরিককে ধরে এনে আটকে রেখেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী। আটক দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন— অবিনাশ টুডু ও ফিলিপ সরেন। তাদেরকে কারুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে।

14444

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে বিজিবি বা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

তবে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাংলাদেশি দুই নাগরিককে ধরে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে দুই ভারতীয় নাগরিককে ধরে নিয়ে আসে গ্রামবাসী। পরে সেখানে বিজিবি সদস্যরা আসলে তাদের কাছে ওই দুই ভারতীয় নাগরিককে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিরল থানার ওসি আব্দুস সবুর বলেন, পতাকা বৈঠক করে বিজিবি-বিএসএফ বিষয়টির সমাধান করবে।

ধর্মজৈন বিওপি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার রেজাউল করিম বলেন, সীমান্তে ধান কাটার সময় দুই বাংলাদেশি নাগরিককে তুলে নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। পরে স্থানীয় বাংলাদেশি নাগরিকরা দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করেন। আমরা ইতোমধ্যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছি। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া চলমান।

আরটিভি/এমকে/এআর

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission