প্রতিবেশীর বিড়ালকে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যা, যা জানা গেল

আরটিভি নিউজ

রোববার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ , ০৮:৫৭ এএম


প্রতিবেশীর বিড়ালকে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যা, যা জানা গেল
ছবি: সংগৃহীত

যশোরের মণিরামপুরে দুটি পোষা বিড়ালকে নির্মমভাবে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। মারপিটে একটি বিড়ালের মৃত্যু হয়েছে, অপরটির অবস্থাও গুরুতর। এ ঘটনায় বিড়াল দুটোর মালিক জিল্লুর রহমান শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে মণিরামপুর থানার ওসি এবং ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার চালকিডাঙ্গা বাজার এলাকায়।

বিড়ালের মালিক জিল্লুর রহমান জানান, তিনি একজন মোবাইলফোন ব্যবসায়ী। বাড়িতে দুটো বিড়াল পুষতেন। শুক্রবার দুপুরে বিড়াল দুটো প্রতিবেশী হিরার বাড়িতে গেলে ঘরের ভেতরে আটকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করা হয়। এরপর মৃত ভেবে ঘরের দরজা খুলে দিলে একটি বিড়াল কোনোরকমে বাড়িতে এসে পৌঁছায়। সেটিকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, এরপর দ্বিতীয় বিড়ালটিকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। একপর্যায়ে ওই বিড়ালটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাই। হিরা বিড়ালটিকে পিটিয়ে তার কয়েকটি দাঁত ভেঙে দিয়েছে। এছাড়া বিড়ালটির ডানচোখে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। শনিবার বিড়াল দুটোকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে আনার পর একটির মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন

জিল্লুর রহমান বলেন, ছুটির দিন থাকায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর বন্ধ ছিল। পরে মণিরামপুর থানার ওসি এবং ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হুসাইন কবির হিরা বলেন, জিল্লুরের বিড়াল বিভিন্ন সময়ে বাড়িতে এসে উৎপাত করে। শুক্রবার দুপুরে একটি বিড়াল ঘরে রান্না করা মাংস খেয়েছে। এজন্য ওটাকে কয়েকটি বাড়ি মেরেছি। অন্যটিকে মারিনি, ওটা আমার বাড়ি আসে না।

মণিরামপুর থানার ওসি রজিউল্লাহ খান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সম্রাট হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে দিয়ে ঘটনা তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission