চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লায়ন মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ ও চিংড়ি প্রতীকের স্বতন্র প্রার্থী এমএ হান্নান।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ হান্নান ও এর আগে বিকেল ৪টায় বিএনপির প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক লায়ন মো. হারুনুর রশিদ ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে পৃথকভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উভয় প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে সংঘর্ষের দায় চাপান। এই ঘটনায় উভয়েই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি থেকে বহিষ্কার উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে আমার এবং নেতাকর্মী সমর্থকদের ওপর দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রশাসনের উপস্থিতিতে আমার ওপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটলেও তাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রার্থীর অন্যতম সমন্বয়কারী ও সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল হোসেন।
অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশিদ বলেন, চিংড়ি প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল হান্নানের অনুসারীদের একটি অংশ এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করছে।
লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়ক শরীফ মোহাম্মদ ইউনুছ।
ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ পাঠানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট-ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা ও উভয়পক্ষের কর্মী সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ষোলদানা, খাজুরিয়াসহ একাধিক স্থানে দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়। ঘটনার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে।
আরটিভি/এমএ





