নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে উৎসবমুখর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয় যা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
ভোট গ্রহণ শুরুর পরপরই নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এ আসনের প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খন্দকার আব্দুর রাকিব এবং বিএনপির প্রার্থী ডা. ইকরামুল বারী টিপু।
ভোটদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, এখন পর্যন্ত নির্বাচনি পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে এবং সাধারণ ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে উপস্থিত হচ্ছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, দিনশেষে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য ফলাফল নিশ্চিত হবে।
মান্দা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, ইকরামুল বারী টিপু (বিএনপি), আব্দুর রাকিব (জামায়াত), জাতীয় পার্টির আলতাফ হোসেন (লাঙ্গল) প্রতীক, ইসলামী আন্দোলনের সোহরাব হোসাইন (হাতপাখা) ও সিপিবির ডা. এস এম ফজলুর রহমান (কাস্তে) প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আরফানা বেগম (কলস) প্রতীক। এখানে মূলত বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
১১৭টি কেন্দ্রে মোট ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬০ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৩ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৬৮ হাজার ২১৩ জন এবং হিজড়া ৪ জন।
নির্বাচন উপলক্ষে মান্দা উপজেলায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। উপজেলার মোট ১১৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭৯টি কেন্দ্রকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দুজন করে এবং সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে একজন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া আনসার বাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের বিশেষ মোবাইল টিম মাঠে সক্রিয় রয়েছে।
নওগাঁ জেলার মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক ১২টি পুলিশি মোবাইল টিম মান্দা উপজেলায় দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি একটি শক্তিশালী স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
মান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শাওন জানান, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গুলোতে বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহারের প্রস্তুতি রয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে প্রায় ৭৯টি বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী জানান, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে উপজেলার ১১৭টি ভোটকেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল ও
আরটিভি/এমএইচজে





