ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

শরিফের বাঁচার আকুতি, প্রয়োজন ২২ লাখ টাকা

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১০ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

মো. শরিফ। ১৫ বছরের কিশোর। বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়াই করে যাচ্ছে। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার এক অসহায় পরিবারের সন্তান এই কিশোরের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ২২ লাখ টাকা, যা তার ভ্যানচালক বাবার পক্ষে কোনোভাবেই জোগাড় করা সম্ভব নয়। অর্থের অভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় প্রতিটি দিন যেন পরিবারটির জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠছে।

শরিফ চরফ্যাশন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল কালামের ছোট ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে হঠাৎ করেই শরিফ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রথমে তাকে স্থানীয় চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।

বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, শরিফ ডুচেন মাসকুলার ডিস্ট্রফি (ডিএমডি) একটি গুরুতর বংশগত বিরল রোগে আক্রান্ত। এটির চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল এবং যা ধীরে ধীরে পেশিশক্তি নষ্ট করে দেয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে (ভারত) নিয়ে যেতে হবে। সম্পূর্ণ চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ২২ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন

শরিফের বাবা আবুল কালাম পেশায় একজন দিনমজুর ও ভ্যানচালক। প্রতিদিন ভ্যান চালিয়ে যা আয় করেন, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চালান। ছেলের চিকিৎসার খরচ জোগাতে তিনি ইতোমধ্যে তার ভ্যানগাড়ি ও এক শতাংশ জমি বিক্রি করেছেন। পাশাপাশি এনজিও থেকে এক লাখ টাকা ঋণ এবং আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করেছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের তুলনায় তা অপ্রতুল।

আবুল কালাম বলেন, ছেলেকে পাঁচ বছর বয়সে মাদরাসায় ভর্তি করাই। নয় বছর বয়সে দেখি ওর হাঁটতে সমস্যা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করিয়েও কোনো উন্নতি হয়নি। পরে ঢাকায় নিয়ে গেলে ডাক্তার বলেন, উন্নত চিকিৎসা ছাড়া ওকে সুস্থ করা সম্ভব নয়। এখন ভারতে নিতে হলে ২২ লাখ টাকা লাগবে। আমি সরকারের কাছে সহযোগিতা চাই।

শরিফের মা ফাতেমা জানান, নয় বছর বয়স পর্যন্ত আমার ছেলে একদম স্বাভাবিক ছিল। হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। এখন সে হাঁটতে পারে না। ডাক্তার বলেছেন রোগটি খুব জটিল। আমাদের পক্ষে চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব নয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মফিজ উদ্দিন বলেন, পরিবারটি অনেকদিন ধরে চেষ্টা করছে। আমরা প্রতিবেশীরাও শুরুতে সহযোগিতা করেছি। কিন্তু এত বড় অঙ্কের টাকা তাদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। সরকারি সহায়তা পেলে হয়তো শরিফের চিকিৎসা চালানো সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন বলেন, শরিফের বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘প্রধানমন্ত্রী দেশে কর্মচাঞ্চল্যতা সৃষ্টি করেছেন, মানুষের মধ্যে গতিশীলতা এনেছেন’ 
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদ টিটো বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে কর্মচাঞ্চল্যতা সৃষ্টি করেছেন, মানুষের মধ্যে গতিশীলতা এনেছেন। উনার যে চলার গতি, কর্মের গতি, সেটার সঙ্গে আমরা কতটুকু তাল মিলাতে পারবো সেটা নিয়ে সবসময় ভয়ে থাকি।  তিনি বলেন, বিসিকের উদ্যোগে প্রথমবারের চাকুরীমেলার আয়োজন করা হয়েছে। বিসিক চাকরীপ্রার্থী ও চাকরিদাতার মধ্যে সেতুবন্ধন করেছে। চাকরী পাওয়ার প্রক্রিয়াটি সহজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।  মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে বিসিক চাকরি মেলা ২০২৬ এর শুভ উদ্ধোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চাকরী প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে বেনজির আহমেদ টিটো বলেন, ‘সবাই চাকরি করলে হবে না ভবিষ্যতে আপনি চাকরি দিতে পারবেন সেটারও জন্য প্রস্তুত হতে হবে। বিসিক উদ্যোক্তা তৈরী করছে। নিজস্ব মেকানিজমে অতি ক্ষুদ্র ঋন প্রদান করছে। দেশের অনেক বড় জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানের শুরু বিসিক থেকে। উদ্যোক্তা তৈরী করে গ্রামীন অর্থনীতিকে কিভাবে জাতীয় অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করতে পারে বিসিক সেই চেষ্টা করছে। উদ্যোক্তাদের জন্য বিসিকে দ্বার সবসময়ই খোলা।’ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, নাসিকের প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজিব, বিকেএমইএর সহ-সভাপতি মোরশেদ সারোয়ার সোহেলসহ প্রমুখ। বিকেএমইএ'র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘আজকে বিসিক চাকরী মেলার যে উদ্যোগ সেটা প্রধানমন্ত্রীর ১ কোটি বেকার যুবককে চাকরী প্রদানের যে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।’ বিসিক নারায়ণগঞ্জের এজিএম জসিমউদ্দিন জানান, ১৩টি ফার্মাসিউটিক্যালস, ৭টি গার্মেন্টসসহ নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদী এই তিন জেলা থেকে ৪৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৫০ জন চাকরী পাবেন। চাকরী প্রত্যাশীরা বলছেন, এই ধরনের আয়োজনে তাদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা। এখানে কোন ধরনের সুপারিশ ছাড়াই চাকুরী পাওয়ার সুযোগ পেয়ে তারা আনন্দিত। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আরও করার দাবি জানান। পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতেও সরকার উদ্যোগ নিবে এই প্রত্যাশা করেন। আরটিভি/ এসকেডি
‘প্রধানমন্ত্রী দেশে কর্মচাঞ্চল্যতা সৃষ্টি করেছেন, মানুষের মধ্যে গতিশীলতা এনেছেন’ 
অদৃশ্য কারণে দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন স্বপদে বহাল
এক কোটি টাকার ওষুধ কিনে পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে চার কোটি টাকার বিল উত্তোলন করার দায়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন ড. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীকে বিগত একমাস আগে ওএসডি করা হয়েছিল। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারনে এই সিভিল সার্জনকে আবারো স্বপদে বহাল করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ২৭ সেপ্টেম্বর জারি করা এক প্রজ্ঞাপন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি হিসেবে থাকা ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীকে পুনরায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন চলতি দায়িত্ব পদে পদায়ন করা হয়েছে এবং ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত: এক কোটি টাকার ওষুধ কিনে চার কোটি টাকা উত্তোলন, টেন্ডারে অনিয়ম এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একটি নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজের সূত্র ধরে ২০ আগস্ট জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বান্দরবানের সিভিল সার্জন চলতি দায়িত্ব পদ থেকে ঢাকার মহাখালীস্থ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে বদলি করা হয়েছিল। এদিকে, বদলির আদেশ প্রত্যাহারের মতো এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বান্দরবানের বেশ কয়েকজন ​স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, ১ কোটি টাকার ওষুধ ৪ কোটি টাকায় কেনাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে সিভিল সার্জন শাহীনের বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে তাকে ওএসডি করায় সাধারণ মানুষ আশার আলো দেখলেও, এক মাসের মাথায় আবারও একই পদে ফিরিয়ে আনাটা রহস্যজনক। আরটিভি/ এসকেডি
অদৃশ্য কারণে দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন স্বপদে বহাল
স্বামী মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে রেললাইনে স্ত্রী, একসঙ্গে সৎকার
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রাধানগড় ইউনিয়নের মালিগাঁও গ্রামে স্বামীর মৃত্যুর পর শোক সইতে না পেরে বাড়ির পাশে রেললাইনে গিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক নারী। 
স্বামী মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে রেললাইনে স্ত্রী, একসঙ্গে সৎকার
আবাসিক হোটেলের টয়লেটে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’
টয়লেটে গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা বসিয়ে আসল মধুর সঙ্গে ১০ কেজি চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’। খবর পেয়ে ফেনী শহরের বড় মসজিদ রোডের ‘হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিক’-এ অভিযান চালিয়ে ভেজাল মধু প্রস্তুতকারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মোহাম্মদ মহসিন (৪৫), মেহেদী হাসান (৪০), মোহাম্মদ রাসেল (৩৮) ও জসিম উদ্দিন (৪০)। তাদের সবার বাড়ি কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলের ছয়তলার একটি কক্ষের টয়লেটে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসের চুলা বসিয়ে চিনি জ্বাল দিয়ে ভেজাল মধু তৈরির কাজ চালিয়ে আসছিল চক্রটি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চক্রের মূল হোতা মোহাম্মদ মহসিন জানান, বাজারে ভালো মানের প্রতি কেজি খাঁটি মধুর দাম ১ হাজার ২০০ টাকার ওপরে। সাধারণ ক্রেতাদের কমদামে মধু কেনার আগ্রহ থাকে। এই ধারণাকে পুঁজি করেই তারা প্রতিদিন দুই কেজি আসল মধুর সঙ্গে ১০ কেজি চিনি মিশিয়ে ১২ কেজি ভেজাল মধু তৈরি করত।  দুই কেজি আসল মধু ও চিনি জ্বালাতে তাদের খরচ হতো প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা। এরপর সেগুলো বোতলে ভরে ‘খাঁটি মধু’ নামে প্রায় ছয় হাজার টাকায় বাজারে বিক্রি করা হতো। জিজ্ঞাসাবাদে মহসিন আরও জানান, তাদের চক্রে মোট ৩৮ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৪ জন সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া এলাকায় এবং অপর ১৪ জন এই আবাসিক হোটেলে অবস্থান করে তৈরি করা ভেজাল মধু বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত বিক্রি করতেন। হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিকের ব্যবস্থাপক রুস্তম আলী বলেন, পুলিশ যাদের হোটেল থেকে আটক করেছে, তারা দীর্ঘ আট বছর ধরে আমাদের হোটেলে নিয়মিত যাতায়াত ও অবস্থান করতেন। আমরা তাদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলে জানতাম। তবে তাদের ব্যবসা কী, কখনো জানার চেষ্টা করিনি। তাদের আচরণেও কখনো সন্দেহ হয়নি। টয়লেটের ভেতরে এমন অপকর্ম চলছিল, তা হোটেলের কেউ কখনো টের পাননি। স্থানীয় বাসিন্দা নুর নবী জীবন বলেন, একে তো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিনি জ্বাল দিয়ে ভেজাল মধু উৎপাদন করা হচ্ছে, তার ওপর খাঁটি মধুর নাম দিয়ে বাজারে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে চক্রটি। সহজ-সরল মানুষেরা এসব মধু কিনে যেমন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, তেমনই তাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণের সঙ্গে জড়িত এমন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অভিযান পরিচালনাকারী ফেনী মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ সবুজ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা চিনি মিশিয়ে ভেজাল মধু তৈরির কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেফতার চারজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আবাসিক হোটেলের টয়লেটে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’
‘আব্বা’ ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারুক।
‘আব্বা’ ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা
আরও পড়ুন
স্ত্রী বাড়িতে না থাকায় কিশোরীকে ঘরে এনে ধর্ষণ: সেই আসামির মৃত্যুদণ্ড
বাড়ির পাশের গাছ থেকে প্রবাসী যুবকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে কিশোরীর মৃত্যু
স্কুলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কিশোর গ্যাং, অতঃপর...