হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে শাশুড়িকে হত্যার অভিযোগে তামান্না আক্তার নামে (২২) গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।
নিহত শাশুড়ি ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩) নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তার ছেলে ও অভিযুক্ত তামান্না আক্তারের স্বামী রফিকুল ইসলাম চৌধুরী দুবাই প্রবাসী।
পুলিশ জানায়, সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে নিজ বাড়ি থেকে ফেরদৌসী ইসলামের হাত-পা বাঁধা এবং মুখে টেপ লাগানো মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুত্রবধূ তামান্না আক্তারকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
অভিযুক্ত তামান্নার জবানবন্দিতে জানা যায়, তার সঙ্গে সুনামগঞ্জের এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার রাতে ওই যুবকসহ আরও ২-৩ জন তাদের বাড়িতে আসে। তারা আলমারি ভেঙে স্বর্ণ ও টাকা লুট করে। সে সময় শাশুড়ি ফেরদৌসীর গলার হার নিতে গেলে তিনি জেগে ওঠেন। এ সময় তিনি চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্তরা তাকে হাত-পা বেঁধে এবং মুখে টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে তামান্না ও তার কথিত প্রেমিকসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
আরটিভি/এমএইচজে




