নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ৪নং গড়াডোবা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সরকারি চাল বিক্রি করে দিয়েছেন বলে সাংবাদিকের ফেসবুক- মেসেঞ্জারে নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়ে হুমকি দিয়েছেন আঙ্গাগারোয়া রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইমদাদুল হালিম।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে আরটিভির নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি গজনবী বিপ্লবকে মো. ইমদাদুল হালিম লিখেন, গড়াডোবা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বিজিডির চাল বিক্রি করে দিয়েছি, মরুদ থাকলে আসেন।
মো. ইমদাদুল হেলিম শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি প্রথমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের খুব কাছাকাছি ছিলেন। গড়াডোবা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সরকার মনোনীত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামানের অত্যন্ত আস্তাভাজন ছিলেন। আওয়ামী রাজনীতিতে সময় দিতেন খুব বেশি।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তিনি বিএনপি রাজনীতিতে স্বক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন। বিদ্যালয়ে না গিয়ে রাজনীতিতে সময় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। একদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় বাকিসব দিনের স্বাক্ষর করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গত বছর গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের অনিয়ম দুর্নীতির রিপোর্ট করতে যাওয়া দুজন সাংবাদিককে এই হালিম মাস্টারের নেতৃত্বে মব সৃস্টি করে মারধর করেন। যা আদালতে মামলা হওয়ার পর পিবিআই তদন্ত শেষে হালিম মাস্টারকে অভিযুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দেন আদালতে।
আরটিভি/এমএইচজে





