ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় ঘুরতে গিয়ে এক তরুণী (৩০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার মামলায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার নাহিদ ইসলাম (২৬) উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামের শাহীন ফরাজীর ছেলে।
বুধবার (১ এপ্রিল) উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের গঙ্গাধরদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে মঙ্গলবার বিকেলে সাদ্দাম শেখ (৩০) নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অটোরিকশায় ঘুরতে বের হন ওই তরুণী। এ সময় সাদ্দামের পরিচিত নাহিদ ইসলাম (২৬) একই অটোরিকশায় তাদের সঙ্গে যোগ দেন।
সন্ধ্যার দিকে তারা ঘারুয়া ইউনিয়নের খমিনারবাগ এলাকায় একটি ফসলি জমিতে নিয়ে সাদ্দাম ও নাহিদ পালাক্রমে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাদের সঙ্গে নাজমুল (২৫) ও নুর আলম (২৬) যোগ দেয়।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগী চিৎকার করলে অভিযুক্তরা তাকে মারধর করে একটি স্বর্ণের কানের দুল ও নগদ তিন হাজার ৫৭০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। চেতনা ফিরে পাওয়ার পর ভুক্তভোগী তরুণী সাদ্দামের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্থানীয়দের জানায়। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তরুণীকে উদ্ধার করে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় এনে তার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ইতোমধ্যে নাহিদ ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরটিভি/এমএম




