তাড়াশে কিশোরীর লাশ উদ্ধার, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ 

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ , ০৮:৪৯ এএম


তাড়াশে কিশোরীর লাশ উদ্ধার, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ
গ্রেপ্তার সৌরভ খাঁন : ছবি আরটিভি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে এক কিশোরীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম মোছা. আমেনা খাতুন (১৬)। তিনি মাধাইনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং একই ইউ‌নিয়নের ভিকমপুর গ্রামের মো. আব্দুল খালেকের মেয়ে।

পরিবারের দাবি তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।  

জানা গে‌ছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ শহীদ এম, মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আমেনা খাতুনের স্বামী সৌরভ ইসলাম খাঁনকে গ্রেপ্তার করেন পু‌লিশ।

আরও পড়ুন

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানা গেছে, গত পাঁচ মাস আগে আমেনা খাতুনের সাথে পাশের ঝুরঝুরি গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে ও তাড়াশ ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির ছাত্র সৌরভ খাঁনের (১৯) সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। মেয়ের বয়স কম হওয়ায় কাবিন করা হয়নি। 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই সৌরভ তার স্ত্রীর কাছে যাতায়াত করতো। গত ১২ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার সময় সৌরভ শ্বশুরবাড়িতে এসে স্ত্রীর কক্ষে রাত্রি যাপন করেন। স্ত্রী আমেনা খাতুন তার স্কুলের সহপাঠিদের সাথে বিভিন্ন রকম ছবি তোলায় তাদের মাঝে ঝগড়া হয়। ভোর পৌনে ছয়টার দিকে আমেনার মা ঘুম থেকে ওঠার জন্য ডাক দিলে সৌরভ জানায় আমেনা মারা গেছে। 

এ সময় আমেনের মায়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে দেখতে পায় শয়ন কক্ষে আমেনার লাশ চাদর দিয়ে ঢাকা রয়েছে। এ সময় আসাসি সৌরভ পালানোর চেষ্টা করলে লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

নিহত আমেনা খাতুনের বাবা আব্দুল খালেকের দাবি, তার মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গ‌ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে  ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আমেনার স্বামী সৌরভকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

আরটিভি/এমএম

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission