ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

নওগাঁয় চার খুনের ঘটনায় শিউরে ওঠার মতো তথ্য

নওগাঁ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর নিয়ামতপুরে নিজ ঘর থেকে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। নিহতদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের দুই শিশু সন্তান রয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর ঘরের দেয়ালে খুনিদের রেখে যাওয়া একটি চিরকুট সদৃশ বার্তা রহস্যের সৃষ্টি করেছে।

নিহতরা হলেন— হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০), ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) এবং মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে মান্দার চৌবাড়িয়া হাট থেকে গরু বিক্রি করে প্রায় আড়াই লাখ টাকা নিয়ে তিনি বাড়ি ফেরেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভোরে হাবিবুরের বাবা নমির হোসেন ফজরের নামাজ শেষ করে ছেলের ঘরের দরজায় রক্ত দেখতে পান। ভেতরে প্রবেশ করে তিনি বিছানায় চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

নমির হোসেনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে নিয়ামতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

হত্যাকাণ্ড শেষে খুনিরা ঘরের দেয়ালে লিখে রেখে গেছে— ‘নমির তুই বেঁচে গেলি, দলিল দে। এবার তোর পালা।’ এই বার্তা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ঘাতকদের মূল লক্ষ্য ছিল জমি সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র এবং পরিবারের কর্তা নমির হোসেন।

নিহত হাবিবুরের বাবা নমির হোসেন জানান, তার ছয় সন্তানের মধ্যে হাবিবুর ছিলেন একমাত্র ছেলে। জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক মেয়ের স্বামীর সাথে হাবিবুরের বিরোধ চলছিল। এই সংক্রান্ত একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন এবং থানায়ও অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। নিহতের পরিবারের দাবি, এই জমি সংক্রান্ত শত্রুতার জের ধরেই সুপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান জানান, হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং শিশু দুটির মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমে আমরা ইতোমধ্যেই নিহতের বোনসহ পরিবারের সন্দেহভাজন ৮ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছি।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, হত্যার পাশাপাশি ঘরে থাকা গরু বিক্রির আড়াই লাখ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কারও লুটে নিয়েছে খুনিরা।

আরও পড়ুন

ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
৬৫ বছর পর ধরা পড়ল খুনি, ছিলেন পুলিশের গোয়েন্দা কর্মকর্তা
সোনা চুরির অপবাদে ভেঙেছিল সংসার, ১২ বছর পর সামনে এলো চরম সত্য
কক্সবাজারে ‘রাজুর স্ত্রী’ পরিচয়ে হোটেলে, ফেরার পথে ধর্ষণ-খুন তাজমিন
খুন হওয়ার আগে বাবার মোবাইলে যে মেসেজ পাঠিয়েছিল তাজমিন