ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

গৃহবধূর হত্যার ঘটনায় মামলা না নিয়ে ‘নয়-ছয়’-এর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৪ এএম
নিহত গৃহবধূ তিশা : ছবি আরটিভি

গাজীপুরের শ্রীপুরে গর্ভবতী গৃহবধূ তিশাকে (২২) নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে। হত্যার পর প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে গৃহবধূকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালায়। এ ঘটনার পর নিহতের স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি পলাতক রয়েছে।

নিহতের পরিবারের দাবি এটি পরিকল্পিত হত্যা। গৃহবধূ মৃত্যুর ঘটনায় তিশার পরিবার হত্যা মামলা করতে চাইলেও শ্রীপুর থানা পুলিশ অপমৃত্যু মামালা নিয়েছে অভিযোগ করেন তিশার মা আছমা খাতুন। পুলিশের কথামতো মামলা না করলে তার মেয়ের ময়নাতদন্ত হবে না বলেও তাদেরকে জানানো হয়। নিহত তিশার মায়ের অভিযোগ প্রকৃত আসামিদের আড়াল করার চেষ্টা করছে পুলিশ। এ জন্য রাতভর তাদেরকে থানায় বসিয়ে রেখে পুলিশ নিজে এজাহার লিখে অপমৃত্যু মামলা নিতে তাকে বাধ্য করে।

নিহত গৃহবধূ তিশা উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের পেলাইদ গ্রামের হাবিবুল্লাহর মেয়ে। চার বছর পূর্বে শ্রীপুর পৌরসভার উজিলাব এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর (২৭) সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের সাংসার জীবনে আব্দুল্লাহ (২) নামে এক ছেলে রয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গৃহবধূর স্বামীর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিন গোসিংগা ইউনিয়নের পেলাইদ গ্রামে তিশার বাবার বাড়ি গিয়ে দেখা যায় বাড়িতে স্বজন ও গ্রামবাসীর ভিড়। মা আছমা খাতুন মেয়ের মৃত্যুর ৮দিন পরও বিলাপ করছেন। কোনোভাবেই স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ীর নির্যাতনে মেয়েকে হত্যার কথা ভুলতে পারছেন না।

বিলাপ করে তিনি বলতে থাকেন, আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই, ফাঁসির বদলে ফাঁসি চাই।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, মেয়ের ঘরে যা ফার্নিচার লাগে সবকিছু দিয়েছি। স্বামীকে মোটরসাইকেল দিয়েছি। শ্বশুরবাড়ী থেকে দাবি আরও যৌতুক দিতে হবে। মেয়েকে বলে এটা আনতে, ওইটা আনতে।

তিনি আও বলেন, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে মেয়ে আমাকে ফোন করে বলে মা তাড়াতাড়ি আসো, তারা আমাকে মাইরা ফেলতেছে। তুমি তাড়াতাড়ি না আসলে আমার লাশ পাইবা। মেয়ের ফোন পেয়ে বোরকা পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উজিলাব মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে যাই। যাইয়া দেখি অনেক লোকজন। মেয়ের স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ী কেউ বাড়িতে নেই। যখন মেয়ে আমাকে ফোন করে বলেছে মা আমারে মাইরা ফালাইতেছে, এরপরই তারা আমার মেয়েকে মেরে ঝুলিয়ে রাখে। আমি যাইয়া দেখি আমার মেয়েকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখছে।

অপমৃত্যুর এজাহারের শেষাংষে লেখা রয়েছে আমি (তিশার মা) আমার মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে আমিসহ পরিবারের লোকজন ও আত্নীয়-স্বজনদের কারোও সন্দেহ নাই।

এ বিষয়ে তিশার মা বলেন, মামলার এজাহার লেখা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। পুলিশ তাদের মতো করে এজাহার লিখে নিয়ে এসে আমাকে স্বাক্ষর দিতে বলে। পুলিশের কথামতো মামলার কাগজে স্বাক্ষর না দিলে মেয়ের ময়নাতদন্ত হবে না বলেও তাকে জানানো হয়। আমি মামলা দিতে চাইলে পুলিশ বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার আগে মামলা নিতে পারবে না।

মেয়ে হত্যার চেয়ে তিনি দাবি করেন পরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ডকে পুলিশ শুরু থেকেই অপমৃত্যু হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছে।

তিশার মাদ্রাসার শিক্ষক ও জ্যাঠা রুহুল আমীন বলেন, তিশা আমার ভাতিজি ও আমার মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেছে। সে মেধাবী ছাত্রী এবং খুব ভালো মেয়ে ছিল। তার মৃত্যু সংবাদ শুনে ঘটনাস্থলে যাই। থানা থেকে লাশ নিয়ে আসি। থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীরকে জানাই এটা আত্মহত্যা না, তাকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। উনি আমাদের কথা কর্ণপাত না করে নিজের মতো লিখে মেয়ের মায়ের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়ে গেছে।

নিহত তিশার মা ও পরিবারের সদস্যদের আপত্তি থাকার পরও অপমৃত্যুর এজাহারে ‘পরিবারের লোকজন ও আত্নীয়-স্বজনদের কারও কোন সন্দেহ নাই’ কেন লিখছেন এ প্রশ্নে শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে এটা লিখা হয়েছে। আপনি (সাংবাদিক) কোথায় আছেন, দেখা করেন। আমি (সাংবাদিক) দূরে আছি। তখন তিনি বলেন, তাদের অভিযোগ সঠিক নয়। আপনি এ বিষয়ে ওসি স্যারের সাথে কথা বলেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদের সরকারি নাম্বারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ছুটি ছাড়াই ৪২ শিক্ষককে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে দুই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হলেও ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।  তারা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে নির্ধারিত কর্মসূচি পালনের পরিবর্তে কক্সবাজারে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের দুই সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও)। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে শিক্ষকদের এমন ভ্রমণে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে বিশেষ কর্মসূচি পালনের কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন না করে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শিক্ষকরা নিজেরাই অনুপস্থিত। এতে তাদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  এক অভিভাবক বলেন, আমাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে আসতে বলা হয়েছে, অথচ শিক্ষকরা নিজেরাই বিদ্যালয়ে না এসে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। এটা কেমন কথা? শিক্ষকদের এমন দায়িত্বহীনতা মেনে নেওয়া যায় না। জানা গেছে, গত ৫ নভেম্বর বিকেলে সদরপুর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা। তাদের এ ভ্রমণ শেষ হবে ৯ নভেম্বর সকালে।  ভ্রমণে অংশ নেওয়া বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা হলেন— চর বিষ্ণুপুর কলাডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লুৎফুন্নেছা, জরিপের ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নওরোজ আল ফারুকী, ৩২ নম্বর ডিক্রীর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বাবুল, আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান, নলেটেক-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কবির উদ্দিন মোল্লা, চর বলাসিয়া মোল্লা গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মশিউর রহমান, রাজারচর ওযাবউল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জিন্নাত আলী এবং হাকিমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এটিএম আইয়ুব আলী। ভ্রমণে অংশ নেওয়া সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন— মধ্য চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আমিনুল, মুন্সি চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মশিউর রহমান, নতুন সাহেবের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আজাহার, পশ্চিম রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাহবুব হাসান, বালিয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সজিব, চর গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাকির হোসেন, সতের রশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আনোয়ার হোসেন ও সাইফুজ্জামান, চর বিষ্ণুপুর চৈতের কোলপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালাম, সুকদেব নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মনির হোসেন, হকিয়তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জালাল, ৩২ নম্বর ডিক্রীর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আব্দুল কুদ্দুস, দক্ষিণ চর ডুবাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবু সাইদ এবং বৈদ্য ডাংগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাহমুদুল হাসানসহ আরও ২০ জন। এ ছাড়া ভ্রমণে রয়েছেন— সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান। তিনি আকোটেরচর ও সদরপুর ক্লাস্টারের দায়িত্বে আছেন। অন্য কর্মকর্তা ঝিল্লুর রহমান চর নাসিরপুর ক্লাস্টারের দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা এবং রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের কথা রয়েছে। নিয়মিত পাঠদান বন্ধ থাকলেও এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে বিদ্যালয়গুলোতে নির্ধারিত কর্মসূচি কীভাবে পালিত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, তারা গাড়িতে ‘শিক্ষা সফর’ লেখা ব্যানার লাগিয়েছেন। কিন্তু তারা তো পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। শিক্ষা সফরে সাধারণত শিক্ষার্থীরা যায়। শিক্ষকরা পরিবার নিয়ে ভ্রমণে গেলে সেটিকে শিক্ষা সফর বলা কতটা যৌক্তিক? আমরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে সরকারি কর্মসূচি পালন করছি, আর তাঁরা আনন্দ ভ্রমণে ব্যস্ত। বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক। এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ও ঝিল্লুর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান বলেন, তারা প্রতিবছরই ভ্রমণে যান। অনেক আগেই তাঁরা ভ্রমণের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। আমি প্রজ্ঞাপনটি পেয়েছি ৫ তারিখ বিকেল ৩টার দিকে। ওই দিন জেলায় আমার একটি সভা ছিল। এরপরও বিষয়টি তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানিয়ে দিয়েছি। কিন্তু অবহিত করার পরও তাঁরা ভ্রমণে গেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন বলেন, এটি তাদের নিজস্ব দায়িত্বের বিষয়। তাদের ভ্রমণের অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। এ জন্য আমার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ারও প্রয়োজন নেই। তবে ভ্রমণের নিরাপত্তার জন্য তাঁরা গত ৪ নভেম্বর একটি আবেদন নিয়ে এসেছিলেন। আমি ওই আবেদনে স্বাক্ষর করে দিয়েছি। আরটিভি/এসআর
ছুটি ছাড়াই ৪২ শিক্ষককে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে দুই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা
শেরপুরে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল
শেরপুরে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, শেরপুর পৌর শাখা।
শেরপুরে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে ধস, হিমাগারে পড়ে আছে ৪৫ শতাংশ
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে অব্যাহত দরপতনে বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। এতে লোকসানের আশঙ্কায় হিমাগার থেকে আলু উত্তোলন করছেন না অনেকে। জেলার ২২টি হিমাগারে সংরক্ষিত আলুর প্রায় ৪৫ শতাংশ এখনো পড়ে রয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর সংরক্ষণ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আলু বিক্রি করতে না পারলে কৃষক, ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকদের বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে ধস, হিমাগারে পড়ে আছে ৪৫ শতাংশ
কুড়িগ্রামে পৌর কর্মচারী হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার, মাদক সেবনে বাধা দেওয়াই কাল হয় মনসুর আলীর!
কুড়িগ্রাম পৌর টাউন হলের কেয়ারটেকার মনসুর আলীকে (৬০) হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছুরি নয় কাচি দিয়েই তাকে হত্যা করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।
কুড়িগ্রামে পৌর কর্মচারী হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার, মাদক সেবনে বাধা দেওয়াই কাল হয় মনসুর আলীর!
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে বাংলাদেশকে একটি বিপজ্জনক রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয় এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শহীদ জিয়াউর রহমান জাতির স্মৃতিতে অমর হয়ে থাকবেন।
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আরও পড়ুন
কালিয়াকৈরে মাদক ব্যবসা ও প্রতারণার দায়ে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের কারাদণ্ড
‘ফ্যাসিস্ট শক্তি পুলিশকে লক্ষ্যবস্তু করে আন্দোলনের নামে সহিংসতা চালাচ্ছে’
গাজীপুর সাফারি পার্কের নীলগাই পরিবারে জন্ম নিলো ৪ শাবক
পরিকল্পিত নাশকতা, ভাঙচুর ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে শ্রীপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ