ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকা জুড়ে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। রয়েছে গণপরিবহনের ব্যাপক চাপ। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার (২৫ মে) সকালে চন্দ্রা এলাকায় এমন চিত্রের দেখা মিলেছে।
জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে চন্দ্রা এলাকা জুড়ে যাত্রী ও পরিবহনের ব্যাপক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কালিয়াকৈরে ৩ শতাধিক শিল্পকারখানা রয়েছে। এখানে লাখ লাখ মানুষের বসবাস। আর এসব কারখানায় আজ একযোগে ছুটি হচ্ছে। ফলে দুপুরের পর এই মহাসড়ক ও চন্দ্রা এলাকায় মানুষের ঢল নামবে বলে জানিয়েছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ।
উত্তরবঙ্গের ২৫ জেলার মানুষের একমাত্র প্রবেশমুখ কালিয়াকৈরের চন্দ্রা। প্রায় ৬০ লাখ মানুষ এ চন্দ্রা দিয়ে তাদের বাড়িতে যাতায়াত করে। ফলে চন্দ্রা-নবীনগর ও চন্দ্রা-গাজীপুর সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা। এছাড়া অন্যান্য দিনের তুলনায় গণপরিবহনের চাপ দ্বিগুণ বেড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, গণপরিবহনে স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। ফলে ট্রাক, পিকআপ ও মোটরসাইকেলযোগে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি যাচ্ছেন তারা।
রংপুর ও বগুড়াগামী যাত্রী ইউনুস, রনি ও কাদের জানান, আপনাদের কাছে বলে লাভ কী? প্রতি ঈদের আগেই গাড়িতে বেশি ভাড়া দিয়ে বাড়ি যেতে হয়। এটা নতুন কিছু নয়। আমাদের বিষয়ে কেউ কথা বলে না।
নাওজোড় থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে- এমন কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের পুলিশ সদস্যরা মাঠে আছেন। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
এছাড়া চন্দ্রা এলাকা জুড়ে ১ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাঠে কাজ করছেন।
আরটিভি/টিআর



