পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিএনপির সাবেক চেয়ারপারর্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত ও সওয়াব রেসানীর উদ্দেশ্যে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছেন মোংলার এক স্থানীয় বিএনপি নেতা। দলীয় প্রধানের পরকালীন কল্যাণের নিয়তে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবার তিনি ৯টি বড় আকৃতির গরু কোরবানির ঘোষণা দিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বাসিন্দাদের মতে, মোংলা অঞ্চলে বা দেশের তৃণমূল রাজনীতিতে একক কোনো নেতার পক্ষ থেকে দলীয় প্রধানের স্মরণে নিজস্ব অর্থায়নে একসঙ্গে এত বড় পরিসরে কোরবানির উদ্যোগ এর আগে সচরাচর দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার (২৬ মে) মোংলা পৌর শহরের মাদরাসা রোডে পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. জুলফিকার আলীর বাসভবনে দুস্থদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণকালে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে, জুলফিকার আলীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৭০০ দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি করা এবং সেই সওয়াব তার আত্মার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা (ঈসালে সওয়াব) একটি পুণ্যময় কাজ। এই নিয়ম মেনেই কোরবানিটি দেওয়া হচ্ছে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আরটিভি নিউজকে মো. জুলফিকার আলী বলেন, আমাদের দলের সাবেক প্রধান প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আমরা এবার পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের দুস্থ মানুষের জন্য ৯টি বড় গরু কোরবানির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মোংলায় দলের কোনো নেতার পক্ষ থেকে একসঙ্গে এত বড় পরিসরে কোরবানির উদ্যোগ এটাই প্রথম। ঈদের দিন এই কোরবানির মাংস এলাকার প্রায় ২ হাজার অভাবী পরিবারের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে। ধনী-দরিদ্র সবাই মিলে যেন ঈদের আনন্দ সমানভাবে ভাগ করে নিতে পারি, এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
আরটিভি/এসএস




