টাঙ্গাইলের গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলার দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে। এতে একজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন। এ সময় বাড়িঘর-দোকানপাট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৬টা থেকে ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা ও গোপালপুর উপজেলার গুলিপেঁচা গ্রামে শুরু হওয়া এ ১৪৪ ধারা শনিবার (৬ জুন) দ্বিতীয় দিনের মতোও চলছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে আজ সকাল থেকে নলিন, গুলিপেঁচা ও জগৎপুরা এলাকায় হ্যান্ড মাইকে প্রচার করা হচ্ছে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে বিরোধ মীমাংসা হয়েছে। শান্তি বজায় রাখতে সবাইকে আগের মতোই সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে একসঙ্গে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, উভয় পক্ষকে ডেকে এনে মীমাংসা করা হয়েছে। সবাইকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য বলা হয়েছে।
১৪৪ ধারা জারির বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান বলেন, আইনশৃংখলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৬টা থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এখনও তা বলবৎ রয়েছে। পরিবেশ শান্ত রয়েছে। পুলিশি রিপোর্টের প্রেক্ষিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, সংঘর্ষে নিহত কালাম তালুকদারের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় পুলিশি পাহারায় তার গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। পরে বাদ মাগরিব তার দাফন সম্পন্ন হয়।
আরটিভি/আইএম




