ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি’

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একে অপরের স্ত্রীকে নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এক ব্যক্তি অভিযুক্ত প্রেমিকের স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেছেন। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি ওই ব্যক্তিকে সংবর্ধনা দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পেকুয়া গ্রামের সাইজুদ্দীন মিয়ার ছেলে হাসান প্রায় ১৫ বছর আগে জহুরা আক্তারকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। একই এলাকায় একটি এনজিওতে বাবুর্চির কাজ করতেন সাতক্ষীরার বাসিন্দা রাজু মিয়া। পাশাপাশি বসবাসের সুবাদে রাজুর সঙ্গে হাসানের পরিবারের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে হাসানের স্ত্রী জহুরা আক্তারের সঙ্গে রাজু মিয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে গত ৭ মে তারা একসঙ্গে চলে যান। এতে ক্ষুব্ধ হন হাসান।

হাসানের দাবি, চলতি মাসের ৪ জুন তিনি সাতক্ষীরা থেকে রাজু মিয়ার স্ত্রী মরিয়মকে তার তিন বছরের সন্তানসহ মির্জাপুরে নিয়ে এসে বিয়ে করেন। তিনি বলেন, ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি। পরকীয়া প্রেমের শাস্তি দিতেই আমি এমন কাজ করেছি।

এদিকে একে অপরের বউ ভাগিয়ে নেওয়ার এমন কান্ডে পুরো এলাকাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। হাসানকে পুরস্কার প্রদান ও সংবর্ধনা দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে এলাকাবাসী। তারা জানান, হাসান যে কাজটি করেছে এতে খুশি তারা।

বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহজাহান সিরাজ জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং এলাকায় এটি নিয়ে আলোচনা চলছে।

তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দুই শতাধিক কৃষকের জমি দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে মানববন্ধন
ভোলার চরফ্যাশনে দুই শতাধিক কৃষকের প্রায় ২৩৪ একর জমি দখলের চেষ্টা এবং স্লুইসগেট খুলে রোপণ করা আমন ধান পানিতে ডুবিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দুই শতাধিক কৃষকের জমি দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে মানববন্ধন
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। তবে দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও নিবন্ধন আটকে রেখে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরে আরও ২০ হাজার টাকা ‘কমিশন’ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন উমেদার রূপণ দাশ। ঘুষ নেওয়ার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশ দাবি করেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশেই তারা দুই লাখ টাকা নিয়েছিলেন। জবানবন্দি গ্রহণের পর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি। অভিযান পরিচালনাকারী ফাঁদ টিমের নেতৃত্বে থাকা দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তিনি বলেন, পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য তারা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এক ভুক্তভোগী আইনজীবী প্রথমে হটলাইন ১০৬ এবং পরে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলে হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম জানিয়েছেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশে তিনি দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। ওই টাকা উমেদার রূপণ দাশের মাধ্যমে তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। সেই অর্থ নেওয়ার সময়ই দুদকের দল কার্যালয়ে অভিযান চালায়। এদিকে উমেদার রূপণ দাশ তার জবানবন্দিতে বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই কার্যালয়ে কর্মরত। যে দলিল নিবন্ধনের ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটির সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। এর বাইরে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে রূপণ দাশ আরও বলেন, প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ২০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল। দলিলদাতাদের একজন উপস্থিত হতে না পারায় ওই টাকা তার বাসায় গিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার দাবি, দলিলটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে বাড়তি দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। আদালত সূত্র জানায়, এ ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে পরে মামলা করা হয়। বুধবার গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান জবানবন্দি দেননি। অপর দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আরটিভি/এসআর
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে স্থায়ী অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্র থেকে তাকে পাঠানো এক নোটিশে এ বার্তা দেওয়া হয়। এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আরও বলা হয়, অভিযোগের তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী আপনাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। উল্লেখ্য, অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে এনসিপির ফরিদপুরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত এনসিপি নেতার মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ নামের ওই কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। আরটিভি/এসআর
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট ভেবে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে সেটি খুলে দেখেন, ভাত নয়-ভেতরে রয়েছে মিষ্টি। প্রচণ্ড ক্ষুধায় সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন নুর মোহাম্মদ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।  এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকেই জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।  একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
আরও পড়ুন
‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 
প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে ফেলে দ্বিতীয় বিয়ে করেন বাবা-মা, হতাশায় কূপে ঝাঁপ তরুণের
বর-কনের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখুন
বিয়ের দাবিতে দুই স্ত্রী ও ৩ সন্তানের জনকের বাড়িতে নারী, অতঃপর...