যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলার পর অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ জুন) ভোর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়া ঘোপ গ্রামের হাসিব আল হাসান (১৯), ছোট বসন্তপুর গ্রামের আব্দুর রহমান ইমন (২২) ও মেহেদি হাসান টুটুল (২৩)। এ ছাড়া মামলার অন্য দুই আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৪) ও ইমন (২৩) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
জানা গেছে, গত ১৩ জুন রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হন ওই প্রবাসীর স্ত্রী। এ সময় ওত পেতে থাকা একই গ্রামের আব্দুর রহমান ইমন ও মেহেদি হাসান টুটুলসহ ৫ জন তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ভুক্তভোগী নারী ৫ জনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে মামলা রুজু করে পুলিশ।
ওসি মারুফ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা করা হয়। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
আরটিভি/এমএইচজে




