ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

দিনের পর দিন নিজ মেয়েকে ধর্ষণ বাবার, অতঃপর...

স্টাফ রিপোর্টার (আশুলিয়া), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম
ছবি: আরটিভি

ঢাকার আশুলিয়ায় নিজের মেয়েকে পাঁচ মাস যাবৎ ধর্ষণের অভিযোগে সুলতান (৪২) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট দুদু মার্কেট সংলগ্ন এলাকার মাসুদের ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার সুলতান বরিশাল জেলার মুলাদী থানার বাটামারা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি আশুলিয়ার ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

আরও পড়ুন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুলতান তার মেয়েকে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করাতেন। এছাড়া তার প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ সামনে এলে বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে আটক করে। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ গিয়ে সুলতানকে থানায় নিয়ে যায়।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে সুলতান নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মন্ত্রীর প্রটোকলের ফাঁকে এসিল্যান্ডের সেলফি, ছবি ভাইরাল
সরকারি দায়িত্ব পালনের ব্যস্ততার ফাঁকে প্রকৃতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নিজের কিছু মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৈত্রী রায়। চুনারুঘাটের চণ্ডীছড়া চা-বাগানে তোলা তার কয়েকটি সেলফি ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিগুলো পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘প্রটোকলের ফাঁকে সেল্ফ প্রটোকল, চণ্ডীছড়া চা-বাগান, চুনারুঘাট।’ ছবিগুলোর সঙ্গে হাবিব ওয়াহিদের একটি রোমান্টিক গানও যুক্ত করেন তিনি। জানা যায়, সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সফর উপলক্ষে সরকারি দায়িত্ব ও প্রটোকল পালনের সময় মাধবপুর ও চুনারুঘাটের চণ্ডীছড়া চা-বাগানে এসব ছবি তোলেন তিনি। মৈত্রী রায় ইতোমধ্যে বাল্যবিবাহ বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, জরিমানা আদায়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এলাকায় আলোচনায় এসেছেন। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল চর্চার প্রতিও তার আগ্রহ রয়েছে বলে বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যে উঠে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পোস্টে মন্তব্য করে স্থানীয় সাংবাদিক এমএ কাদের লেখেন, প্রটোকলের ব্যস্ততার মাঝেও প্রকৃতির সঙ্গে এমন কিছু মুহূর্ত নিজেকে নতুন করে আবিষ্কারের সুযোগ করে দেয়। চণ্ডীছড়া চা-বাগানের অপরূপ সৌন্দর্যের সঙ্গে আপনার এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছবিগুলোকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। দায়িত্বের বাইরে এমন সুন্দর মুহূর্তগুলোই একজন মানুষের ব্যক্তিত্বের অন্যরকম দিক তুলে ধরে। এ বিষয়ে এসিল্যান্ড মৈত্রী রায় বলেন, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস মানুষের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। প্রতিটি কাজই সুন্দরভাবে করার চেষ্টা করি। আরটিভি/টিআর
মন্ত্রীর প্রটোকলের ফাঁকে এসিল্যান্ডের সেলফি, ছবি ভাইরাল
ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ লিখে আসছিলেন ইউনানি চিকিৎসক
ইউনানী চিকিৎসক দিয়ে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এদিকে, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অন্যটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন এ অভিযান চালায়।  অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীম বিনতে মুস্তাফিজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সাথে ছিলেন। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পান যে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি রোগী দেখছেন। তিনি এমবিবিএস চিকিৎসক নন, ইউনানী চিকিৎসক। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ লিখে আসছিলেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সেলিম হোসেনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকার ইসলামী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। সেখানে হাবিবুর রহমান নামে একজন ডিএমএফ চিকিৎসক রোগী দেখছিলেন। অনিয়ম ও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়। সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা বাসসকে বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগে কোনো অনিয়ম বা অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, অপচিকিৎসা রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ লিখে আসছিলেন ইউনানি চিকিৎসক
স্কুলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি
গোপালগঞ্জে শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে সরকারি জেলা স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র (টিসি) দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওই ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। গত ৬ অক্টোবর দুপুরে স্কুলে টিফিনের পর ক্লাসরুমের সামনের বারান্দায় স্লোগান দেয় স্কুলটির অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণীর কয়েকজন শিক্ষার্থী। সেখানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাঁসবে’ বলে শ্লোগান দেয়। পরে সেই ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।  পরে, ৭ অক্টোবর স্কুলের সহকারী শিক্ষক মো. ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও পর্যালোচনা করে ৪ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তারপর ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, স্কুলে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া হয়। পরে ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে তদন্ত প্রতিবেদন ৪ নভেম্বর প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদেরকে স্কুল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউল হক বলেন, গত ৬ অক্টোবর স্কুলের মধ্যে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পক্ষে স্লোগান দেয় কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় আমি নামাজে ছিলাম। পরে নামাজ থেকে আসার পরে গোয়েন্দা সংস্থা থেকে আমাকে ফোন করে মিছিলের বিষয়ে জানতে চায়। পরে আমি অন্যান্য শিক্ষকদের কাছে শুনে বিষয়টি নিশ্চিত হই  স্কুলে এই ধরনের মিছিল বা স্লোগান দেওয়া হয়েছে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পক্ষে-বিপক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন অনেকে।  আরটিভি/টিআর
স্কুলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি
বউ ও শাশুড়ির ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে উধাও সেই মাসুদ
আরটিভি অনলাইনে ‘পরকীয়া প্রেমিকার মেসেজ পেয়ে সন্দেশ নিয়ে বাঁশঝাড়ে হাজির মাসুদ, অতঃপর...’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। সংবাদটি মাসুদের স্ত্রী, শাশুড়িসহ অন্যান্য স্বজনের নজরে আসে। এরপর থেকে মাসুদকে খুঁজতে থাকেন তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও স্বজনেরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে ডোমার বাজারে স্ত্রী ও শাশুড়ির সামনে আচমকাই পড়ে যান মাসুদ রানা। এ সময় তাদের ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি। একপর্যায়ে মাসুদকে খুঁজতে থাকেন তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও দুই মেয়ে। তাকে না পেয়ে মাসুদের উদ্দেশে গালাগাল করেন তারা। পাশাপাশি জনসম্মুখে তার আগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিতে থাকেন। মাসুদের স্ত্রী ও শাশুড়ি জানান, মাসুদের আগে থেকেই চারিত্রিক সমস্যা রয়েছে। তিনি প্রায়ই গোপনে বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে কথা বলতেন। বিষয়টি তার স্ত্রী জানতে পারলে তাদের মধ্যে এ নিয়ে ঝগড়া হতো। মাসুদ এর আগেও তার চাচা শ্বশুরের মেয়ের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করতেন। এ নিয়ে শ্বশুরবাড়িতেও তার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। তারা আরও অভিযোগ করেন, মাসুদ যাঁদের সঙ্গে রাজনীতি করেন, তারাই এসব কর্মকাণ্ডে তাকে প্রশ্রয় দেন। গত বুধবার রাতের ঘটনার পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়ি ও নিজের বাড়িতে না গিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আত্মীয়স্বজনের মধ্যে সুন্দরী কোনো নারী দেখলেই তাদের পেছনে ঘুরে বেড়ান বলে অভিযোগ করেন মাসুদের স্ত্রী। মাসুদের শাশুড়ি বলেন, পালিয়ে তিনি কোথায় থাকবেন? পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ করলেই তাকে ধরে নিয়ে আসা হবে। এসব কথা বলে মাসুদের স্ত্রী, শাশুড়ি ও দুই মেয়ে থানার দিকে চলে যান। এর আগে, গত বুধবার মধ্যরাতে মাসুদ রানা ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ঘাটপাড়া এলাকার এক পুত্রবধূর সঙ্গে ছয় মাসের কথিত পরকীয়া সম্পর্কের সূত্র ধরে রাতে সন্দেশ নিয়ে বাঁশবাগানে দেখা করতে যান। এ সময় ওই নারীর স্বামীর পাতা ফাঁদে আটকা পড়েন মাসুদ। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। তবে ওই নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাকে পুলিশ হেফাজত থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে মাসুদ রানা বলেন, গতকালের ঘটনায় আমি শুধু মেয়েটির সঙ্গে মেসেজে চ্যাটিং করেছি। এ ছাড়া তার সঙ্গে আমার অন্য কোনো সম্পর্ক নেই। রাতে বাড়ি যাইনি। গতকাল থেকে বাইরে থাকা-খাওয়া করছি। আটকের পর অনেকেই ভেবেছেন, আমি পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলে রয়েছি। তাই আজ এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলাম। ডোমার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোপাল চন্দ্র বলেন, গত রাতে এলাকাবাসী মাসুদকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। তবে ওই নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
বউ ও শাশুড়ির ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে উধাও সেই মাসুদ
সাবেক শিবিরনেতাকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
রাজনৈতিক সহিংসতায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে আসা ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা সাব্বির প্রামাণিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।  জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের কাছে বারবার সহায়তা চেয়েও সাড়া না পাওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশের পর এ উদ্যোগ নেন তিনি। বগুড়ার বাসিন্দা সাব্বিরকে একটি প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুষ্টি চালের মিল, সিমেন্টের ইট তৈরির কারখানা ও মাছের খামারের তদারকি এবং হিসাব ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছেন। সম্মানজনক বেতনে চাকরি পেয়ে তার পরিবারে স্বস্তি ফিরেছে। সাব্বির জানান, চাকরির জন্য তিনি একাধিকবার জামায়াত নেতাদের দ্বারস্থ হলেও আশ্বাস ছাড়া কোনো সহায়তা পাননি। পরে তার দুর্দশার খবর জানতে পেরে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতায় হামলার শিকার হন সাব্বির। ওই ঘটনায় শিবিরনেতা আবু রুহানী নিহত হন। সাব্বিরের দাবি, গুরুতর আহত অবস্থায় তার শরীরে একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয় এবং ৬৪টি সেলাই দেওয়া হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর বেঁচে ফিরলেও শারীরিক জটিলতায় স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরতে পারেননি তিনি। জীবিকার প্রয়োজনে অটোরিকশা চালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখে চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানে সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেন সাব্বির। অবশেষে নতুন চাকরি পাওয়ায় সাব্বির ও তার পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন তিনি। আরটিভি/এসআর  
সাবেক শিবিরনেতাকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
আরও পড়ুন
বালককে ধর্ষণে সহপাঠীকে প্ররোচনা দেন শিক্ষক, অতঃপর...
তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, মাদরাসাশিক্ষকের ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
গাজীপুরে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন শ্রমিকরা
শিশুকে হত্যার ভয় দেখিয়ে চাচিকে হলুদক্ষেতে নিলেন শিবলু, অতঃপর...