ঢাকার ধামরাইয়ের ঢুলিভিটা স্নোটেক্স গার্মেন্টসের সামনে মধ্য রাতে ক্ষুর ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুটের অভিযোগ করেছেন এক যুবক। যখন এমন ঘটনা ঘটছে, তার ঠিক ১০০ গজ দূরে চেকপোস্ট পরিচালনা করছিল ধামরাই থানা পুলিশ। রাতে চেকপোস্টের পাশে পুলিশের একটি ভ্যানের পাশে এক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে ওই ভুক্তভোগীকে কথা বলতে দেখা যায়। আর সেখানে দাঁড়িয়েই এই প্রতিবেদক ভুক্তভোগীর বক্তব্য নিলেও দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান।
রোববার (২১ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এমন ঘটনা ঘটে বলে জানান ভুক্তভোগী মো. শাকিল। তিনি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দেলুয়া এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন।
রাত আড়াইটার দিকে চেকপোস্টের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পুলিশ ভ্যানে থাকা কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় ওই যুবককে।
তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, পেশাগত প্রয়োজনে ঢাকার বাইরে থেকে এসে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধামরাই ঢুলিভিটা এলাকায় এসে নামেন তিনি। একপর্যায়ে তিনি ঢুলিভিটা স্নোটেক্স কারখানার ফটকের সামনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় ২০-২৫ বছর বয়সী অন্তত তিনজন দূর্বৃত্ত ক্ষুর ঠেকিয়ে তার একটি মুঠোফোন ও কাছে থাকা মানিব্যাগের সব টাকা ছিনিয়ে নেয়। সব হারিয়ে তিনি অদূরে চেকপোস্টে এসে পুলিশ সদস্যদের সহায়তা চান।
এদিকে, এ প্রতিবেদক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা বলারত অবস্থায় ওই ভুক্তভোগীকে পেলেও চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের কর্মকর্তা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান।
চেকপোস্টে দায়িত্বরত ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বলেন, রাতে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। রাতে আমি চেকপোস্টে ছিলাম, তবে আমাকে কেউ এমন কোনো অভিযোগ করেননি।
ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি অপারেশন) দেবাশীষ সানা বলেন, এরকম কিছু জানা নেই। এমন কোনো অভিযোগ পাইনি।
আরটিভি/এমএম




