ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ফসলি জমির মাটি কাটায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

ধামরাই প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:২৩ এএম
জব্দকৃত ডাম্প ট্রাক। ছবি: আরটিভি

ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজন ডাম্প ট্রাকচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি দুটি ডাম্প ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) ধামরাই থানার পক্ষ থেকে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়।

এর আগে রোববার (১৪ জুন) গভীর রাতে মাটি পরিবহনের সময় অভিযান চালিয়ে দুই ট্রাকচালক ও একজন ভেকু চালককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়াও দুটি ডাম্প ট্রাক জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ডাম্প ট্রাকচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, মো. হৃদয় ও আবু রায়হান।

আরও পড়ুন

মামলার এজাহারভুক্ত অন্যান্য আসামিরা হলেন উপজেলার খাগাইল এলাকার মো. ইদ্রিস আলী, মহিষাষী গ্রামের রাতুল, শোলধন গ্রামের জুয়েল, মধুডাঙ্গা গ্রামের রাফি মোহাম্মদ সজিব এবং সুরুজ আহমেদ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সিন্ডিকেট ও কিছু ইটভাটা মালিকের যোগসাজশে ধামরাইয়ে দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমির মাটি কাটা অব্যাহত রয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ও জরিমানা সত্ত্বেও আইনের কার্যকর প্রয়োগ না হওয়ায় এ অবৈধ কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে দিন দিন কৃষিজমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে এবং কৃষি উৎপাদনও হ্রাস পাচ্ছে।

তাদের মতে, অনেক জমির মালিক সাময়িক আর্থিক লাভের আশায় জমির মাটি বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে শুধু সংশ্লিষ্ট জমিই নয়, আশপাশের কৃষিজমিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষিজমির এই নীরব ধ্বংস ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একটি অংশ এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকায় সাধারণ কৃষকরা প্রতিবাদ করতে গিয়ে নানা বাধার সম্মুখীন হন। উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ভেকু ও ট্রাক জব্দ করলেও জরিমানা দিয়ে সংশ্লিষ্ট চক্রগুলো পুনরায় মাটি কাটা শুরু করে। ফলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে প্রায় প্রতি রাতেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভেকু ও ট্রাক জব্দ করে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। তারপরও পুরোপুরি এ কার্যক্রম বন্ধ করা যাচ্ছে না।

স্থানীয় সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন বলেন, কৃষিজমির মাটি কেটে নেওয়ার ফলে ধামরাইয়ের অনেক এলাকা জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। শিল্প-কারখানা স্থাপনের জন্যও উপযুক্ত জমি পাওয়া যাচ্ছে না। অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
খুলনার হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে ধরা
সুনামগঞ্জের সুধাংশু বিশ্বাস হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
ফের নামঞ্জুর হলো এমপি গাজী নজরুলের জামিন