সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে পড়ে থাকায় দুর্ভোগ আর আতঙ্কের মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সরেজমিনে দেখা গেছে, এ ব্রিজ দিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সঙ্গে সীমান্তবর্তী সাতানি, বাঁশদাহা ও কাথন্ডাসহ অন্তত সাত থেকে আটটি গ্রামের মানুষ চলাচল করে। কিন্তু ব্রিজের ভাঙা অংশে কোনো রকমে বাঁশ, কাঠ, ইটের রাবিশ ও মাটিভরা বস্তা ফেলে অস্থায়ীভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও সেটি এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। সামান্য অসাবধানতা কিংবা ভারী যানবাহনের চাপে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন তারা। ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন চালকরা।
দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজটি সংস্কার কিংবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী জানান, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে এই ভাঙা ব্রিজ দিয়ে। কখন যে বড় দুর্ঘটনা ঘটে বলা যায় না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির এমন বেহাল অবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিন সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী ও কর্মজীবীরা বেশি সমস্যায় পড়ছেন। দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বহু যানবাহন। দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেন, পুরনো এই ব্রিজটি এলজিইডি ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি। তবে জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সেখানে নতুনভাবে ব্রিজ নির্মাণের একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আরটিভি/এমএম




