গত কয়েক দিনের বিরামহীন বর্ষণে মাটি নরম হয়ে ভেঙে পড়েছে পানের বরজ। মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে পটুয়াখালীর বাউফল সদরের তিন কৃষক বেলায়েত খান, জাকির হোসেন ও জাহাঙ্গীর হোসেনের দীর্ঘদিনের শ্রম আর বিনিয়োগ। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে প্রায় ১৭-২০ লাখ টাকা।
৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ কৃষক বেলায়েত খান কান্না বিজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। যা অর্থ ছিল সব এই বরজেই ঢেলেছিলাম।
ছয় সদস্যের সংসার আর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানো জাকির হোসেন ব্যাংক ও এনজিওর ঋণের জালে এখন বন্দি। একই অবস্থা জাহাঙ্গীর হোসেনেরও। ঋণের কিস্তি কীভাবে শোধ হবে, আর পরিবার কীভাবে বাঁচবে- এই চিন্তায় চোখে অন্ধকার দেখছেন তারা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিলন জানান, অতিবৃষ্টির জন্য সাধারণত বিশেষ বরাদ্দ থাকে না, তবে বড় দুর্যোগে সহায়তা আসে। মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন পাঠানো হচ্ছে।
আরটিভি/এমএইচজে



