ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জমি অধিগ্রহণের ‘গ্যাঁড়াকলে’ ১৬৮২ কোটির সড়ক, ভোগান্তিতে ৪ জেলার মানুষ

জাজিরা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
ছবি: আরটিভি

পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেসওয়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শরীয়তপুরসহ আশেপাশের কয়েক জেলার মানুষ। সেতু চালুর পর ঢাকার সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগের স্বপ্ন দেখালেও, জমি অধিগ্রহণের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ছয় বছরেও আলোর মুখ দেখেনি শরীয়তপুর-নাওডোবা সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্প। নির্ধারিত সময়সীমা গত ৩০ জুন পার হয়ে গেলেও এখনো প্রকল্পের এক-তৃতীয়াংশ কাজ বাকি পড়ে আছে। ফলে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন ও যাত্রী ভাঙাচোরা রাস্তা আর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যাতায়াত করছেন।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২০ সালে শরীয়তপুর থেকে পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেসওয়ের নাওডোবা পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার এই মেগা প্রকল্প অনুমোদন পায়। ২০২১ সালে কাজ শুরু হয়ে ২০২৬ সালের জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও নকশা ও জমি বুঝে না পাওয়ায় ঠিকাদাররা বর্তমানে কাজ বন্ধ রেখেছেন। পুরো কাজের প্রায় ৯ কিলোমিটার অংশে এখনো মাটির কাজই শুরু করা যায়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রকল্পের মেয়াদ তৃতীয় দফায় বাড়ানোর আবেদন করেছে সওজ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রকল্পের মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভূমি অধিগ্রহণ সমস্যা। ২৭ কিলোমিটার সড়ক সম্প্রসারণের জন্য ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার জন্য বরাদ্দ ১ হাজার ২১৮ কোটি টাকা। তবে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন এখন পর্যন্ত সওজ-কে মাত্র ১৮২ একর জমি বুঝিয়ে দিতে পেরেছে। বাকি ৭৮ একর জমির মালিকানা ও আইনি জটিলতার কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত স্থানে কাজ শুরু করতে পারছে না।

৪৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ের মূল অবকাঠামো নির্মাণকাজকে তিনটি প্যাকেজে ভাগ করা হলেও ভূমি জটিলতায় প্রতিটি প্যাকেজই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্যাকেজ-১ (জেলা শহর থেকে জাজিরা): এই অংশে প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকার জমি এখনো বুঝে পাওয়া যায়নি।

প্যাকেজ-২ (জাজিরা থেকে নাওডোবা): এই ১২ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৪ কিলোমিটার অংশে কাজ থমকে আছে।

প্যাকেজ-৩ (সেতু নির্মাণ): কীর্তিনাশা নদীর ওপর কাজীরহাট সেতুর নির্মাণকাজও জমির অভাবে আংশিক সম্পন্ন করে ফেলে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সরেজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলার কোটাপাড়া এলাকায় কীর্তিনাশা নদীর উপর নতুন একটি দৃষ্টিনন্দন সেতু নির্মিত হলেও এর দুই পাশের সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ রোড) তৈরি হয়নি। ফলে চালকরা বাধ্য হয়েই পুরোনো, নড়বড়ে সেতুটি ব্যবহার করছেন। একই অবস্থা জাজিরার কাজীরহাট সেতুরও। এছাড়া মতিসাগর থেকে নাওডোবা পর্যন্ত ৪টি কালভার্টের কাজ মাঝপথে বন্ধ থাকায় পুরো সড়কটি খানাখন্দে পরিণত হয়েছে।

পদ্মা সেতু চালুর পর এই সড়কটি এখন কেবল শরীয়তপুর নয়, বরং মাদারীপুর, বরিশাল ও চাঁদপুরের একাংশের মানুষের জন্য ঢাকার প্রবেশদ্বার। প্রতিদিন এই সরু ও ভাঙা পথ দিয়ে প্রায় এক হাজার যানবাহন চলাচল করে, যার ফলে নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে দীর্ঘ যানজট ও ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

ভুক্তভোগী বাসচালক ও যাত্রীদের অভিযোগ, পদ্মা সেতু পার হওয়ার পর এক্সপ্রেসওয়ে শেষ হতেই শুরু হয় চরম ভোগান্তি। ৯ কিলোমিটারের এই বেহাল সড়কের কারণে ঢাকাগামী যাত্রীদের কয়েক গুণ বেশি সময় অপচয় করতে হচ্ছে এবং যানবাহনেরও ক্ষতি হচ্ছে।

সার্বিক বিষয়ে শরীয়তপুর সওজ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন জানান, প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ শেষ হলেও মূলত জমি অধিগ্রহণের জটিলতার কারণেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশে কাজ স্থবির হয়ে আছে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত এই সংকটের সমাধান খোঁজা হচ্ছে। যেহেতু নির্ধারিত সময় শেষ, তাই কাজ সম্পন্ন করতে পুনরায় মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন পাঠানো হয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। তবে দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও নিবন্ধন আটকে রেখে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরে আরও ২০ হাজার টাকা ‘কমিশন’ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন উমেদার রূপণ দাশ। ঘুষ নেওয়ার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশ দাবি করেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশেই তারা দুই লাখ টাকা নিয়েছিলেন। জবানবন্দি গ্রহণের পর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি। অভিযান পরিচালনাকারী ফাঁদ টিমের নেতৃত্বে থাকা দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তিনি বলেন, পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য তারা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এক ভুক্তভোগী আইনজীবী প্রথমে হটলাইন ১০৬ এবং পরে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলে হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম জানিয়েছেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশে তিনি দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। ওই টাকা উমেদার রূপণ দাশের মাধ্যমে তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। সেই অর্থ নেওয়ার সময়ই দুদকের দল কার্যালয়ে অভিযান চালায়। এদিকে উমেদার রূপণ দাশ তার জবানবন্দিতে বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই কার্যালয়ে কর্মরত। যে দলিল নিবন্ধনের ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটির সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। এর বাইরে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে রূপণ দাশ আরও বলেন, প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ২০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল। দলিলদাতাদের একজন উপস্থিত হতে না পারায় ওই টাকা তার বাসায় গিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার দাবি, দলিলটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে বাড়তি দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। আদালত সূত্র জানায়, এ ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে পরে মামলা করা হয়। বুধবার গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান জবানবন্দি দেননি। অপর দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আরটিভি/এসআর
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে স্থায়ী অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্র থেকে তাকে পাঠানো এক নোটিশে এ বার্তা দেওয়া হয়। এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আরও বলা হয়, অভিযোগের তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী আপনাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। উল্লেখ্য, অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে এনসিপির ফরিদপুরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত এনসিপি নেতার মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ নামের ওই কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। আরটিভি/এসআর
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট ভেবে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে সেটি খুলে দেখেন, ভাত নয়-ভেতরে রয়েছে মিষ্টি। প্রচণ্ড ক্ষুধায় সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন নুর মোহাম্মদ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।  এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকেই জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।  একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়ন থেকে শরীফপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন হাছানহাট সংযোগ সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে জিআই তার দিয়ে ঢালায়ের অভিযোগ উঠেছে।
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
আরও পড়ুন
২ মাস ধরে বন্ধ যবিপ্রবির প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ
শরীয়তপুরে আটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত
অশ্লীল চ্যাটিং ও পরকীয়া করে ‘বড় মাশুল’ গুনলেন প্রধান শিক্ষক
১২ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে লাগে বাঁশের সাঁকো