সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এক নারীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নির্জন বাড়িতে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মামলার অন্য আসামিরা এখনও পলাতক।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন এয়ারপোর্ট থানার সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা এক নারী। অভিযোগ রয়েছে, চালক তাকে নির্ধারিত গন্তব্যে না নিয়ে কৌশলে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের একটি নির্জন বসতঘরে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন মিলে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় বুধবার (১৫ জুলাই) ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত গয়াছ মিয়া গেদা (৪৫)কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনার পর থেকেই মামলার বাকি অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্বনাথ থানার ওসি (তদন্ত) জানান, মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরটিভি/এসকে



