ঢাকার নবাবগঞ্জে জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শেখ নাঈমের বিরুদ্ধে। জানা যায়, বিক্রি করা জায়গা দখল নিতে নতুন করে ঘর তুললেন তিনি। নাঈম উপজেলার নতুন বান্দুরা এলাকার আব্দুল বারেকের ছেলে এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
সরেজমিনে দেখা যায়, ওই জায়গা দুজন শ্রমিক টিনের বেড়া দিয়ে স্থাপনা নির্মাণের কাজ করছেন। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যান। এর পাশে জায়গায় একটি টিন দিয়ে একটি ছোট ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মতিয়ার রহমানের বলেন, আমার বাবা শেখ আনছের আলী ১৯৭৬ সালে নতুন বান্দুরা মৌজার আরএস ২৯৫ নম্বর দাগভুক্ত ১৬ শতাংশ জমি শেখ নাঈমের বাবা ও দাদার কাছ থেকে ক্রয় করেন। যার দলিলের নিবন্ধন নম্বর যথাক্রমে ৪৯০৯ ও ৪৮৮৮। এরপর থেকে আমার পরিবার জমিটি ভোগদখলে রয়েছে এবং জমিটি আমাদের নামে নামজারি খতিয়ানও করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমি ও আমার ভাই ঢাকায় থাকি। আমাদের অনুপস্থিতিতে সুযোগে আব্দুল বারেকের ছেলে শেখ নাঈমের নেতৃত্বে জমিটি দখল করার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শেখ নাঈমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার বাবা আব্দুল বারেক দাবি করেন, তিনি ও তার বাবা জমিটি বিক্রি করেননি। তবে সংশ্লিষ্ট দলিলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
শেখ নাঈমের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া এক পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় জেল খেটেছেন নাঈম বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টে সরকারের পতনের পর শেখ নাঈম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে পোস্ট ও মন্তব্য করে সক্রিয় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
আরটিভি/ এসকেডি




