ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
সাপের কামড় খেয়ে সেই সাপ নিয়েই হাসপাতালে বৃদ্ধ
সাপের কামড় খেয়ে সেই সাপ নিয়েই হাসপাতালে বৃদ্ধ
নড়াইল সদর উপজেলায় সাপের কামড় খেয়ে সেই সাপটিকে সঙ্গে নিয়েই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন মো. গোলাম রাব্বানী (৬০) নামে এক বৃদ্ধ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে তাকে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। গোলাম রাব্বানী নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামের মৃত জাফর মুন্সির ছেলে। ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে একই গ্রামের হান্নান খাঁর বাড়িতে একটি সাপ ঢুকে পড়ে। পরে সাপটি ধরতে সেখানে যান গোলাম রাব্বানী। সাপটি ধরে খেলা দেখানোর একপর্যায়ে সেটি তার ডান হাতে কামড় দেয়। এরপরও তিনি সাপটিকে ছেড়ে না দিয়ে একটি ব্যাগে
নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী শ্রমিক নিহত
নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী শ্রমিক নিহত
স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে তিন ঘণ্টা পর মসজিদে প্রাণ গেল স্বামীর
স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে তিন ঘণ্টা পর মসজিদে প্রাণ গেল স্বামীর
৭০% কাজ শেষ, এর মাঝেই বাতিল হলো নবগঙ্গা সেতুর চুক্তি
৭০% কাজ শেষ, এর মাঝেই বাতিল হলো নবগঙ্গা সেতুর চুক্তি
এস এম সুলতানের মৃত্যুবার্ষিকী: প্রথম দিনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
এস এম সুলতানের মৃত্যুবার্ষিকী: প্রথম দিনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
অন্ধকারে নিজেকে লুকানোর চেষ্টা ৭ বছরের শিশুর, একান্ত জিজ্ঞাসায় মিলল আপন চাচার নাম 
অন্ধকারে নিজেকে লুকানোর চেষ্টা ৭ বছরের শিশুর, একান্ত জিজ্ঞাসায় মিলল আপন চাচার নাম 
মাদরাসাছাত্রের শরীরে ব্যথার কারণ থেকে মিলল ‘ভয়ংকর সত্য’
মাদরাসাছাত্রের শরীরে ব্যথার কারণ থেকে মিলল ‘ভয়ংকর সত্য’
মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম
নড়াইলের লোহাগড়ায় মাদক বিক্রি ও সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই নারীসহ একই পরিবারের ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। জুয়েল সিকদারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে তাদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন—খাইরুল সিকদার (৪০), তার তিন ভাই জামিরুল সিকদার (৩৫), রেজাউল সিকদার (৩০) ও ইকরামুল সিকদার (২৪), খাইরুলের স্ত্রী মুক্তা বেগম (৩৮) এবং তাদের মা কুলসুম বেগম (৫৫)। ভুক্তভোগী খাইরুল সিকদারের অভিযোগ, একই গ্রামের রুহুল সিকদারের ছেলে জুয়েল সিকদার দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। গত সপ্তাহে তিনি জুয়েলের মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে তাকে ও তার ভাইদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন খাইরুল। খাইরুল সিকদার বলেন, ওই ঘটনার জের ধরে শনিবার রাতে তিনি ও তার তিন ভাই বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় জুয়েল সিকদারের নেতৃত্বে রুলু সিকদার, ইউনুস সিকদার, আসসাব সিকদার, আমানত সিকদার, ইউসুফ সিকদার, সিয়াম সিকদার, ইয়ামুল সিকদার, রাফিন সিকদার ও রুপসি বেগমসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। হামলাকারীরা চাপাতি, রামদাসহ বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে তাদের কুপিয়ে ও মারধর করে আহত করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, হামলার সময় তার স্ত্রী মুক্তা বেগম ও মা কুলসুম বেগম বাধা দিতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাদের নড়াইল জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে জুয়েল সিকদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
আরও