ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় চাঁদাবাজি বেড়েছে ২০-৫০%: ডিসিসিআই

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
‘বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নবগঠিত সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শিরোনামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদাবাজি বেড়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে ‘বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নবগঠিত সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শিরোনামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

চাঁদাবাজি কারা করছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের লোকজন, পুলিশ ও রাজস্ব কর্মকর্তাসহ অনেকেই চাঁদাবাজি করেন।

তিনি বলেন, কারা চাঁদাবাজি করছে, সেটা সরকারকে বের করতে হবে। তারা এসে বলে, আমরা সরকারি দলের লোক। যখনই যে সরকার আসে, তখনই বলে আমরা সরকারি দলের লোক- আমাদের চাঁদা দিতে হবে। আমাদের এই অনুষ্ঠান আছে, পাড়ার এই চাঁদা দিতে হবে।

চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি আমাদের রক্তে মিশে গেছে মন্তব্য করে তাসকীন আহমেদ বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আমরা ব্যাবসা বন্ধ করে চলে যাব।

আরও পড়ুন

কারখানায় ঢুকতেও চাঁদা দিতে হয় অভিযোগ করে তিনি বলেন, অফিস ও রাস্তায় চাঁদা দিতে হয়। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধে আমরা নতুন সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা প্রত্যাশা করছি।

মূল প্রবন্ধে ডিসিসিআই সভাপতি উল্লেখ করেন, বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বাস্তবসম্মত উন্নয়নে চারটি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রথমত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং চাঁদাবাজি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা। দ্বিতীয়ত, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সরকারি খাতে দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা।

তৃতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে তিনি বলেন, যারা ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপি নন, তাদের প্রয়োজনীয় ‘ওয়ার্কিং ক্যাপল’ (চলতি মূলধন)’ সহায়তা দিয়ে পুনরায় ব্যবসায় শুরু করতে সহযোগিতা করা। আর ঋণের সুদহারকে যুক্তিসংগত এবং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা।

বর্তমানে ব্যাংক সুদহার তুলনামূলক বেশি দাবি করে তিনি বলেন, আগামী দিনে অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যে আরো সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে উঠলে অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে ওঠানামা করছে সোনার দাম। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দেশের বাজারে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সর্বশেষ নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ও রুপা।
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১২.৯ শতাংশ বেড়ে ৯.৯৯৭ বিলিয়ন ডলার
চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ ৯.৯৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে পাওয়া ৮.৮৫৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১২.৯ শতাংশ বেশি।
চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১২.৯ শতাংশ বেড়ে ৯.৯৯৭ বিলিয়ন ডলার
নভেম্বরের মধ্যেই রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী নভেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির প্রাথমিক ফিজিক্যাল ও ক্রিটিক্যালিটি টেস্ট সফলভাবে শুরু হয়েছে।
নভেম্বরের মধ্যেই রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ দ্বিতীয় কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৭.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। নতুন কারখানাটিতে প্রায় ২০০ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।  বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।  বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ। নতুন কারখানাটি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ ৭ হাজার ২০০ বর্গমিটার জমিতে স্থাপন করা হবে। সেখানে ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ব্যাগ ও লাগেজের যন্ত্রাংশ, কাগজজাত পণ্য, মুদ্রিত সামগ্রী এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য উৎপাদন করা হবে। কারখানাটিতে বছরে ১১ মিলিয়ন জোড়া ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ২৪ হাজার ঘনমিটার ফোম, দুই লাখ পিস কাটিং বোর্ড এবং আড়াই লাখ পিস কাটিং ডাইস ও মোল্ড উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদিত পণ্য ভারত ও কম্বোডিয়ার জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী জুতা কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হবে। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান এ বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বেপজার ওপর অব্যাহত আস্থা রাখার জন্য কেপিএসটিকে ধন্যবাদ জানান। কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ বলেন, ‘আমাদের প্রথম কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা ও ক্রয়াদেশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন আরেকটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ বিবেচনায় এ সম্প্রসারণের জন্য বেপজাকে বেছে নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, এ নতুন উদ্যোগ আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোহসীন হাসান, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন খাত ভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন এবং চেম্বারসমূহকে নিয়ে সভা করেছে এফবিসিসিআইয়ের রপ্তানি গবেষণা সেল।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) এফবিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে উক্ত গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এক সংবাদ বিপ্তিতে বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এতে বলা হয়, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, সম্ভাবনাময় খাতসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সম্প্রতি সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনে রপ্তানি গবেষণা সেল গঠণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায়, দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) একটি রপ্তানি গবেষণা সেল গঠন করে। সেলটি মূলত বাজার বিশ্লেষণ, পলিসি অ্যাডভোকেসি এবং বিভিন্ন চেম্বার ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত গবেষণা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে। সেলের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এফবিসিসিআইয়ের সদস্যভুক্ত সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে নিজ নিজ খাতের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানায় সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।  সভায় রপ্তানি গবেষণা সেলের কার্যক্রমের ওপর একটি বিষদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর। সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ তাদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সভায় সরাসরি এবং ভার্চুয়্যালি অংশগ্রহণ করেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, এমসিসিআইর প্রতিনিধি, চাঁদপুর উইমেন চেম্বার, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ হালকা প্রকৌশল এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
আরও পড়ুন
মোহাম্মদপুরে ডগ স্কোয়াড নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান
সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে নতুন কমিটি ভূমিকা রাখবে: রিজভী
বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির এক ধরনের ট্যাগিংয়ের চেষ্টা চলছে: তথ্য উপদেষ্টা
চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার অভিনেত্রী, ব্যাংকে মিললো লেনদেনের প্রমাণ