ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

স্থবির হয়ে আছে সৃষ্টিশীল নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৪, ০৪:৩১ পিএম
স্থবির হয়ে আছে সৃষ্টিশীল নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড

নাট্য নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের ১০ মার্চ সংগঠনটির ২০২৩-২৫ মেয়াদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নতুন সভাপতি অনন্ত হিরা ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এস এম কামরুজ্জামান সাগর। এই নির্বাচনে একই সঙ্গে প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হন আরও ১৯ জন সদস্য।

তবে সেই নির্বাচনের ছয় মাস পার না হতেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ওপর অনাস্থা আনে একই বছরের ১৫ অক্টোবর কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৭ জন সদস্য। ১৯টি কারণ দেখিয়ে এক চিঠিতে অনাস্থা জানানো হয়।

মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) সন্ধ্যায় ডিরক্টরস গিল্ড বাংলাদেশ চলমান সংকট তুলে ধরতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলন করেন অনাস্থাকারী ১৬ জন নির্বাচিত সদস্য। এসময় সমন্বয়কারী শহিদুজ্জামান সেলিম ও এস এ হক অলিকসহ আরও উপস্থিত ছিলেন— প্রযোজক আরশাদ আদনান, প্রযোজক, নির্মাতা, অভিনেতা সাজ্জাদ হোসেন দোদুল, নির্মাতা ফরিদুল হাসান প্রমুখ।

সেখানে বিভিন্ন পদে নির্বাচিত ১৭ জন সদস্যের নাম ও স্বাক্ষর রয়েছে। ডিরেক্টর গিল্ডের সভাপতি অনন্ত হীরা বরাবর এই চিঠি পাঠানো হয় ১০ অক্টোবর। সেটি সভাপতি বা তার প্রতিনিধি গ্রহণ করেন ১৫ অক্টোবর।

অনাস্থা জানানোর কারণগুলো উল্লেখ্য করতে গিয়ে সেই চিঠিতে লেখেন, ডিরেক্টরস গিল্ড বাংলাদেশের ২০২৩-২০২৫ মেয়াদের নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের নিম্ন স্বাক্ষরকারী সদস্যরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, শপথ গ্রহণের পর থেকে আপনি (সভাপতি), সাধারণ সম্পাদক নানা রকম অগঠনতান্ত্রিক, অসাংগঠনিক, স্বেচ্ছাচারী, বিভ্রান্তিকর, আস্থাহীনতা, সমন্বয়নহীনতা, দায়িত্ববোধের নির্বুদ্ধিতা নির্বাচিত অন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের কাজ করতে না দেওয়া, নির্বাচিত সদস্যদের হেয় করাসহ নানাবিধ অনিয়মে সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। তাই সংগঠন ও গঠনতন্ত্রের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং সংগঠনকে গঠনতন্ত্র মোতাবেক পরিচালনা করতে, সংগঠনকে এগিয়ে নিতে এবং আপনাদের অগঠনতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের হাত থেকে সংগঠনকে বাঁচাতে আপনার (সভাপতি) ও সাধারণ সম্পাদকের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করছি।

আট পাতার এই চিঠিতে বিভিন্ন সময়ে ঘটা ঘটনার কথা উল্লেখ করে অনাস্থার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। স্বাক্ষরিত ১৭ জনের তালিকায় আছেন সংগঠটির সহ-সভাপতি কায়সার আহমেদ, মনোজ সেনগুপ্ত ও আশরাফুল আলম রন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদা আক্তার লাজুক ও ফিরোজ খান, অর্থ সম্পাদক আবু রায়হান জুয়েল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জহির খান, প্রশিক্ষণ ও আর্কাইভবিষয়ক সম্পাদক শুভ্র খান, আইন ও কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক তারিক মুহাম্মদ হাসান, দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাইদুর রহমান এবং কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম শহিদুল ইসলাম রুনু, গাজী আপেল মাহমুদ, দীন মোহাম্মদ মন্টু, নাসির উদ্দিন মাসুদ, ফিরোজ আহমেদ দুলাল, শাহীন মাহমুদ ও সৈয়দ আওলাদ।

অনাস্থা দিয়ে আস্থা ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন কমিটির ১৭ জন। কিন্তু মতের অমিলে সেই আস্থা ফিরে আসেনি। ২১ জন নিয়ে গঠিত কমিটি এখন দুই ভাগে বিভক্ত! স্থবির হয়ে আছে প্রায় আটশো জন সৃষ্টিশীল নির্মাতাদের প্রাণের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড। অনাস্থা আনা ১৭ জনের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ দেন এবং সেইসঙ্গে তাদের ৮ জনের সদস্যপদ স্থগিত করেন সভাপতি অনন্ত হীরা ও সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সাগর। এখানেই শেষ নয়, অনাস্থা আনা ১৭ জনের পদ কো-অপ্ট করে নতুন করে ১৭ জন নিয়ে হীরা ও সাগর কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন। যা আইন বহির্ভূত বলে মনে করছেন অনাস্থাকারীরা।

চলমান সংকট সমাধানে গত বছরের ২৪ নভেম্বর মুক্ত আলোচনা সভা করা হয়। সেখানে সাধারণ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সংকট নিরসনে গাজী রাকায়েত, সালাউদ্দিন লাভলু, শহিদুজ্জামান সেলিম, রোকেয়া প্রাচী, এস এ হক অলিক, সৈয়দ শাকিল ও ইমরাউল রাফাতকে সমন্বয়কারী সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলেও ফলপ্রসূ হয়নি। সমন্বয়কারীদের দাবি, তাদের উপেক্ষা করেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের কার্যক্রম চলমান রেখেছেন।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য শহিদুজ্জামান সেলিম বলেন, ১৬ জন নির্বাচিত সদস্য আমাদের আমন্ত্রণ করেছিল সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য। নিয়ম অনুযায়ী যে কোনো সদস্য এমন সভা ডাকতে পারেন। এসময় প্রায় তিনশো সদস্যদের উপস্থিতিতে সেই সভায় কয়েকজনকে নিয়ে সমন্বয়কারী করা হয়। যারা উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে চলমান সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখবেন। আমাদের সিনিয়র উপদেষ্টা মুস্তফা মনোয়ার, নাসির উদ্দিন ইউসুফ, ম হামিদ এর সঙ্গে আলাপ করলে তারা আমাদের সমাধানের জন্য বলেন। দুই পক্ষের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু অতীব দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, চার জন মিলে সংগঠনের অফিস দখল করে রেখেছেন। অফিসে চলমান সমস্যা নিয়ে মিটিং করতে পারিনি৷ সদস্যদের চাঁদায় অফিস ভাড়া হয় কিন্তু এই চারজন তাদের ব্যক্তি স্বার্থে তা ব্যবহার করছে। নিজেদের প্রয়োজন ছাড়া তালাবদ্ধ রাখেন। বহুবার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সংগঠনের ব্যানারে তারা আগামী ৯ মার্চ একটি পিকনিকের আয়োজন করেছেন। যেখানে সমস্যা সমাধানের খবর নেই সেখানে এই চারজন অন্যায় ভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

নাট্য নির্মাতাদের সবচেয়ে পুরনো সংগঠনটির সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেন প্রযোজক আরশাদ আদনান। তিনি বলেন, এই সংগঠনের সঙ্গে অনেক আগেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত আছি। গিল্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের মতো করে সংগঠনটি চালাচ্ছে। তারা কারো কথার তোয়াক্কা করছে না৷ যে কয়জনকে কো-অপ্ট করা হয়েছে তা নিয়মনীতি ছাড়াই। এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনে এমনটা চলতে দেওয়া যায় না। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বিষয়টি নিয়ে ডেকেছিলাম তারাও বিষয়টি সমাধান করতে চায়। কিন্তু আমাকে জানায় পিকনিকের আয়োজন করে ফেলেছে। পিকনিকের পরে বিষয়টি নিয়ে বসতে চায়। পিকনিকের আগে তাদের বসার আহ্বান জানাই। আমি চাই চলমান সংকট সুস্থ সমাধান হোক অতি দ্রুত। পিকনিকের আগে তাদের পছন্দ মতো লোকজন নিয়ে যাতে সমস্যার সমাধান করে। সমাধান করে সবাই মিলে পিকনিক করার আহ্বান করছি৷ আগে সমাধান জরুরি।

এসময় আরশাদ আদনান বলেন, নির্বাচিত সদস্যদেন বাদ দিয়ে সিলেক্টেডদের নিয়ে কিভাবে পিকনিক করে? এটা কি সম্ভব? সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সাগর অনেক মিথ্যা কথা বলে। কথায় কথায় মিথ্যা বলে। ডিরেক্টরস গিল্ডের চলমান সংকট নিরসন এসময় সংবাদমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন এই প্রযোজক।

এক বার্তায় জানানো হয়, নির্বাচনের পর থেকে অনিয়ম, অগঠনতান্ত্রিক ও অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে বর্তমান সভাপতি অনন্ত হিরা, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক (বিনা ভোটে) শামীম রেজা জুয়েল, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সবুজ খান, কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য সৈয়দ আওলাদ সহ তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। এমনটা চলতে থাকলে ডিরেক্টরস গিল্ড নামের সংগঠনটি বিলীন হয়ে যাবে, যা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। এই বিশৃঙ্খলা ও নাজুক পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করার প্রত্যয়ে দ্রুত সমাধান প্রত্যাশা করছি।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিনেত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
অনলাইনে ‘কুতথ্য’ প্রতিরোধে সফল ভূমিকা রাখছে আইইডি
লাইফ সাপোর্টে পরীমণির প্রথম সিনেমার নির্মাতা
নির্মাতা রনির সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান