আয়ুর্বেদিক স্পা সেন্টারে নারীকে ৬ জন মিলে ধর্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০২:৩৩ পিএম


আয়ুর্বেদিক স্পা সেন্টারে নারীকে ৬ জন মিলে ধর্ষণ
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কেরালা রাজ্যের থিরুভাল্লায় একটি আয়ুর্বেদিক স্পা সেন্টারে হামলা, চাঁদাবাজি ও এক নারী কর্মীর ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করেছে পুলিশ। ছয় সদস্যের একটি চক্রের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তারের একদিন পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর দ্য হিন্দু।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা জোরপূর্বক স্পা সেন্টারে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই নারী কর্মীর ওপর নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে গত শনিবার, যখন স্পা মালিক দাবি করেন প্রতিদ্বন্দ্বী এক ব্যবসায়ীর ইন্ধনে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ও স্পা মালিক উভয়ের বক্তব্য রেকর্ড করেছে পুলিশ। পাশাপাশি স্পা সেন্টারে কোনো অবৈধ কার্যক্রম চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পাঠানামথিট্টা জেলার পুলিশ সুপার আর আনন্দ জানান, জেলা লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা ও মানসিক কাউন্সেলিং দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মামলার প্রধান আসামি সুবিন আলেকজান্ডারের বিরুদ্ধে কেরালা অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্টের আওতায় প্রতিরোধমূলক আটকাদেশের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

স্পা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ে পুলিশের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ সুপার বলেন, এ মামলায় এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে এ ধরনের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ আরও জানায়, শুরুতে ভুক্তভোগী নারী ও স্পা মালিক অভিযোগ জানাতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। পরে এক স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মামলা নথিভুক্ত করা হয়।

ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর এক সহকর্মীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

ভুক্তভোগীর জবানবন্দি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা স্পা মালিকের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকা আদায় করে। দাবি পূরণ না হলে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।

এ ঘটনায় পলাতক বাকি চার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission