মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এখন আর কেবল আঞ্চলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই, তা ইউরোপের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে।
রোববার (১ মার্চ) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা সচিব জন হিলি জানিয়েছেন, ইউরোপের দেশ সাইপ্রাসকে নিশানা করে ইরান দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
সাইপ্রাসে বর্তমানে হাজার হাজার ব্রিটিশ সেনা মোতায়েন রয়েছে। যদিও জন হিলি মনে করেন ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি সাইপ্রাসকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়নি, তবে তিনি একে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য এক ক্রমবর্ধমান এবং বাস্তব হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা সচিব আরও জানান, শনিবার ইরানের হামলার সময় কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র বাহরাইনে অবস্থানরত ব্রিটিশ সেনাদের ঘাঁটি থেকে মাত্র কয়েকশ গজ দূরে আঘাত হেনেছে।
ইউরোপের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক প্রাণকেন্দ্রগুলোতেও এখন যুদ্ধের বিভীষিকা। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের পূর্বাঞ্চলে একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে।
আলজাজিরার তথ্যমতে, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দোহার বাসিন্দারা অন্তত ১১টি শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর দিয়েছেন। কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে , ইরানি হামলায় দেশটিতে এ পর্যন্ত ১৬ জন আহত হয়েছেন এবং বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং ইসরায়েলের তেল আবিবেও রোববার সকালে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পুরো অঞ্চলে একযোগে এতগুলো বড় শহরে হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনা এর আগে কখনো দেখা যায়নি।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি বিমান বাহিনী দাবি করেছে , গত ২৪ ঘণ্টায় তারা এবং মার্কিন বাহিনী মিলে ইরানের ওপর ১ হাজার ২০০টির বেশি বোমা নিক্ষেপ করেছে।
আরটিভি/এআর




