প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ফুরিয়ে আসছে, আতঙ্কে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ 

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬ , ০৯:২৬ এএম


প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ফুরিয়ে আসছে, আতঙ্কে ইসরায়েল
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের মাঝে এবার এক ভয়াবহ সামরিক সংকটের মুখে পড়েছে ইসরায়েল।

বিজ্ঞাপন

ওয়াশিংটনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সেমাফর মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে শনিবার (১৪ মার্চ) জানিয়েছে, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তি ‘ইন্টারসেপ্টর’ বা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী প্রতিরোধী মিসাইলের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।

সেমাফরের রিপোর্টে বলা হয়েছে, তেল আবিব ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াশিংটনকে জানিয়েছে তাদের দূরপাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখার মতো প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। 

বিজ্ঞাপন

ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তি হলো ইন্টারসেপ্টর। স্বল্প পাল্লার হামলার জন্য ‘আয়রন ডোম’ কার্যকর হলেও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে তারা দামী ইন্টারসেপ্টরগুলোর ওপর নির্ভর করে। বর্তমানে ইরান যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়াতে ‘ক্লাস্টার মিউনিশন’ বা গুচ্ছ বোমা যুক্ত করছে, তাতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বহুগুণ বেড়ে গেছে। প্রতিটি ছোট লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে একাধিক ইন্টারসেপ্টর খরচ হওয়ায় মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

মূলত ইসরায়েল গত বছর যখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায়, তখনও তারা ইন্টারসেপ্টরের সংকটে ছিল। এবারের যুদ্ধে ইরান ব্যাপক হারে হামলা অব্যাহত রাখায় দেশটির দূরপাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাপের মধ্যে পড়েছে।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সেমাফোর আরও জানিয়েছে, ইসরায়েল যখন এই যুদ্ধে প্রবেশ করে, তখনই তাদের হাতে ইন্টারসেপ্টরের মজুত ছিল প্রয়োজনের তুলনায় কম। এখন ইরানের পক্ষ থেকে শত শত ক্ষেপণাস্ত্রের তরঙ্গ সামলাতে গিয়ে সেই মজুত প্রায় ‘শূন্যের কোটায়’ চলে এসেছে। 

মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারসেপ্টরের সংকটে নেই। তবে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর কম থাকার কারণে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেসিসহ অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন।

জবাবে ইরান ইসরায়েলসহ প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলায় অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বিশ্ববাজারে জ্বালানি এবং বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে বড় বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission