যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেন, ম্যাক্রোঁ “খুব শিগগিরই ক্ষমতা থেকে বিদায় নেবেন”—যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা ও উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে অনেক বিশ্লেষক রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি বা কৌশলগত বার্তা হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে সাম্প্রতিক মতবিরোধ, ন্যাটো জোটের ভূমিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট—এসব ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের অবস্থানের পার্থক্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
ফ্রান্স ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে সরাসরি যুক্ত হতে আগ্রহী নয়।
অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন মিত্রদের কাছ থেকে আরও সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর মেয়াদ সাংবিধানিকভাবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত। এ অবস্থায় ট্রাম্পের “শিগগিরই বিদায়” সংক্রান্ত মন্তব্য রাজনৈতিক বাস্তবতার চেয়ে বেশি কৌশলগত বা প্রতীকী ইঙ্গিত বহন করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আরটিভি/এমএ




