তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) কাহরামানমারাস এলাকার আইসের চালিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফচি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিহতদের মধ্যে ৮ জন শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। এছাড়া হামলায় আরও ১৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
তুর্কি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, হামলার পর ১৪ বছর বয়সী সন্দেহভাজন হামলাকারী নিজেও নিহত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, হামলাকারী ওই বিদ্যালয়েরই একজন শিক্ষার্থী ছিল। সে তার সাথে দুটি পিস্তলসহ মোট পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ও সাতটি ম্যাগাজিন নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে এবং দুটি পৃথক শ্রেণিকক্ষে গিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়।
স্থানীয় গভর্নর মুকেরেন উনলুয়ের জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো ওই শিক্ষার্থীর বাবার। তার বাবা একজন প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তা। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে হামলাকারীর বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবারও তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি উচ্চ বিদ্যালয়ে এক সাবেক শিক্ষার্থীর গুলিবর্ষণে ১৬ জন আহত হয়েছিল। ওই ঘটনার পর হামলাকারী নিজেও আত্মহত্যা করে।
বিদ্যালয়ে এই রক্তক্ষয়ী হামলার পর গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে তিনি বলেন, “আমাদের সন্তান, আমাদের পরিবার এবং আমাদের শিক্ষকদের ওপর এই আঘাত অত্যন্ত বেদনার। আমি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”
আরটিভি/এআর




