যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, নিহত জামিল আহমেদ লিমনকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক হিশাম আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে ‘ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার’সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি শারীরিক নির্যাতন, অবৈধভাবে আটক রাখা, প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা এবং মৃত্যুর তথ্য গোপনের মতো মোট ছয়টি অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের আইনে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড (লিথাল ইনজেকশন) অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
ঘটনায় নিহত অপর শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ এখনও উদ্ধার হয়নি। তবে তদন্তকারীরা হিশামের বাসা থেকে পাওয়া রক্তের নমুনার সঙ্গে তার ডিএনএ মিল পাওয়ার দাবি করেছেন। নিখোঁজ দেহ উদ্ধারে এখনো অভিযান চলছে।
জামিলের মরদেহ ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেটি দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট। বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেট মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বলে জানা গেছে।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে, এবং আগামী ২৮ এপ্রিল এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আরটিভি/এসকে




