ইতালির পালেরমো শহরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় প্রবাসী বাংলাদেশি আলাউদ্দিনকে (৩৮) ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ ইউরো জরিমানা করেছে আদালত। তবে রায় ঘোষণার আগেই তিনি দেশত্যাগ করে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ জুন পালেরমোর ভিয়া রিফেরদিকো এলাকার একটি দোকানে মরক্কান বংশোদ্ভূত, ইতালিতে জন্মগ্রহণকারী ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারকে জানালে তারা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। এরপর দীর্ঘ তদন্ত শুরু হয়।
তদন্ত শেষে ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি আদালত আলাউদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করে। তবে তার আগেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, বিচার চলাকালীন সময়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তি ও একটি ব্যাংক থেকে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ইউরো সংগ্রহ করেন। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি তিনি তার বড় ভাইয়ের সহায়তায় বাংলাদেশে পালিয়ে যান।
এদিকে, এই ঘটনার পর দোকানের সাবেক কর্মচারী সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তিনি দাবি করেছেন, তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং তার বাবাকে দুই দিন আটক রাখা হয়েছে।
ঘটনাটি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এ ধরনের অপরাধে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত ও খোঁজ অব্যাহত রয়েছে।
আরটিভি/এসকে



