ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আঙ্কারার এসেনবোয়া বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এ সময় তাকে ব্যক্তিগতভাবে অভ্যর্থনা জানান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
তুরস্কের আঙ্কারায় দুইদিনব্যাপী ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে। ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতেই তুরস্ক সফর করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট কমপ্লেক্সে আনুষ্ঠানিক স্বাগত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এরপর দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনা করবেন। এসব বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। বৈঠক শেষে দুই নেতার যৌথ সংবাদ সম্মেলন করারও কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইনও তুরস্ক সফর করছেন।
ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের পাশাপাশি জোটের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশগুলোর নেতারাও আঙ্কারায় জড়ো হয়েছেন।
এবারের সম্মেলনে গত বছর দ্য হেগ-এ গৃহীত প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, ইউক্রেনের প্রতি সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
তুরস্ক সফরকালে ট্রাম্পের ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার র সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে। জেলেনস্কি ও আল-শালা এরই মধ্যে আঙ্কারায় পৌঁছেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, বুধবার (৮ জুলাই) ট্রাম্প ও জেলেনস্কির বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ কীভাবে শেষ করা যায়, সে বিষয়টি প্রধান আলোচ্য হবে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘গত কয়েক মাসে যুদ্ধক্ষেত্র কার্যত স্থবির হয়ে আছে এবং কোনো পক্ষই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি।’ তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধে দ্রুত অগ্রগতি আনার বিষয়ে জরুরি প্রয়োজন অনুভব করছেন।
এ দিকে ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প সদস্য দেশগুলোর প্রতি প্রতিরক্ষা ব্যয় আরও বাড়ানোর আহ্বান জানাবেন বলেও জানান ওই মার্কিন কর্মকর্তা। তার ভাষায়, ট্রাম্প এই বার্তাটি মিত্র দেশগুলোর নেতাদের কাছে সরাসরি তুলে ধরবেন।
আরটিভি/এসএস



