ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

হঠাৎ সৌদিতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান মোতায়েন, ঘটনা কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
ফাইল ছবি

সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে হঠাৎ পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও সহায়ক উড়োজাহাজ অবতরণ করেছে।

দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে কিং আবদুল আজিজ বিমানঘাঁটিতে এসব উড়োজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়য়।

শনিবার (১১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হঠাৎ পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানের বহর মোতায়েনের ব্যাপারে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কিং আবদুল আজিজ বিমানঘাঁটিতে এই যুদ্ধবিমান মোতায়েনের লক্ষ্য হলো যৌথ সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা, যাতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

এ বিষয়ে অবশ্য পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

গত সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি দেশের ওপর হামলা হলে তা উভয় দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে।

এদিকে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক আলোচনা চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে এই যুদ্ধবিমান মোতায়েন নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তেহরান-ওয়াশিংটন শান্তি আলোচনা কোনও কারণে ভেস্তে গিয়ে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানের এই যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের বিরুদ্ধে লড়বে।

আরও পড়ুন

এরই মধ্যে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় শান্তি আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে বিস্তর সংশয় তৈরি হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অতীত বিশ্বাসঘাতকতার কথা মাথায় রেখে লড়াইয়ের প্রস্তুতিও নিয়ে রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুলের সঙ্গে এক ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ‘সম্পূর্ণ অবিশ্বাস’ নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছে ইরান। অতীতে বারবার কূটনীতিতে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই নিজেদের জনগণের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় পূর্ণ ক্ষমতা নিয়ে লড়াই করবে ইরান।

এর আগে, একই কথা বলেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফও। শুক্রবার স্থানীয় সময় রাতে (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে পৌঁছে এক বিবৃতিতে ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান গালিবাফ বলেন, তেহরানের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু ওয়াশিংটনের ওপর আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই।

এসময় তিনি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের বিশ্বাসঘাতকতার অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। গালিবাফ বলেন, ইরানের সদিচ্ছা থাকার পরও এক বছরের কম সময়ের মধ্যে আলোচনার মাঝপথে দুইবার তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে এবং অসংখ্য যুদ্ধাপরাধ করেছে।

ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক অবশ্য এও বলেছেন, যদি আমেরিকান পক্ষ একটি প্রকৃত চুক্তির জন্য প্রস্তুত থাকে এবং ইরানি জাতির অধিকার মেনে নিতে রাজি হয়, তবে তারা ইরানের পক্ষ থেকেও একটি চুক্তির জন্য প্রস্তুতি দেখতে পাবে।

এদিকে ইরানের সম্ভাব্য যুদ্ধ প্রস্তুতি নিয়ে নতুন এক তথ্য ফাঁস করেছে মার্কিন গোয়েন্দারাও। তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে অস্ত্রের একটি বড় চালান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। এই অস্ত্রের মধ্যে থাকবে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও।

মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করেছেন, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে ব্যবহার করে বিদেশি মিত্রদের মাধ্যমে তাদের কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্র আবারও পুনরায় মজুদ করছে ইরান। তারা ইঙ্গিত পেয়েছেন চীন এসব অস্ত্র তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে, যেন অস্ত্রগুলো কোথা থেকে আসছে সেটি শনাক্ত না করা যায়।

তারা বলেছেন, এ মুহূর্তে চীন কাঁধ থেকে ছোড়া বিমান বিধ্বংসী মিসাইল ব্যবস্থা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই মিসাইল ব্যবস্থা দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছিল ইরান, যার দুই ক্রুকে উদ্ধার করতে বিশাল অভিযান চালাতে হয় মার্কিন সৈন্যদের। এ উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে আরও দুটি পরিবহন বিমান ও দুটি হেলিকপ্টার হারায় যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুন

প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এ যৌথ হামলার প্রথম ধাক্কাতেই প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য। ৩৮ দিন ধরে চলা এই যুদ্ধে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে হারায় ইরান। ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ও ধ্বংস হয় দেশটির বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। সেইসঙ্গে প্রাণ হারায় ইরানের ২ হাজারের বেশি মানুষ।

যুদ্ধ চলাকালীনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার এক বক্তব্যে জানান, এই যুদ্ধ শুরুর জন্য তাকে অব্যাহতভাবে চাপ দিয়েছিল ইসরায়েল ও সৌদি আরব।

এদিকে, ৩৮ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে শক্ত জবাব দেয় ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় দেশটি। ইরানের লাগাতার হামলার মুখে করুণভাবে ভেঙে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও। এ অবস্থায় আবার ইরানের পক্ষে যোগ দেয় লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুতি বাহিনী; যা ইরানের শক্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয় যুদ্ধে। এছাড়া, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ইরানের হামলায় ভয়ংকর বিপদের মুখে পড়ে যায় ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন মিত্ররা। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় ধস নামে মার্কিন তেল বাণিজ্যেও।

এ অবস্থায় ইরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করানোর জন্য শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের দ্বারস্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র। গত ৭ এপ্রিল কার্যকর হয় ১৫ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি। কিন্তু, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও বিশ্বাসঘাতকতার কলঙ্ক এবারও মুছতে ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র। তেহরান-ওয়াশিংটনের সমঝোতা হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই লেবাননে নারকীয় এক হত্যাযজ্ঞ চালায় ইসরায়েল। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে ৫০টি বিমান নিয়ে একশোরও বেশি গোলাবর্ষণ করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। অল্প সময়ের এই হামলায় প্রাণ হারান তিনশো জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক। যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে এই হামলার দায় এড়াতে চাইলেও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করে বসেন, লেবাননে চালানো ভয়াবহ ওই হামলা তারা করেছেন ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বোঝাপড়া করেই।

ফলে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অতীত বিশ্বাসঘাতকতা ও শর্তভঙ্গের ইতিহাস মাথায় রেখে বেশ সতর্ক অবস্থানেই আছে ইরান। এমনকি, আবারও যুদ্ধের আশঙ্কায় সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে দেশটি।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সিরিয়ায় আসাদ আমলের আধাসামরিক বাহিনীর নেতা কায়ালি গ্রেপ্তার 
সিরিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সমর্থক এবং আধাসামরিক বাহিনীর নেতা আলী কায়ালিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। প্রায় ২৫০ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যার ঘটনায় কায়ালি প্রধান সন্দেহভাজন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা জানায়, ‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আলী কায়ালিকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি মিহরাজ উরাল নামেও পরিচিত। ২০১৩ সালে বানিয়াসে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় তিনি প্রধান সন্দেহভাজন। সীমান্ত পেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’ তবে তিনি কোন দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের মে মাসে সিরিয়ার উপকূলীয় তারতুস প্রদেশের সুন্নি মুসলিম-অধ্যুষিত বায়দা ও বানিয়াস শহরে সরকারি বাহিনী এবং তাদের মিত্ররা ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায়। এতে অন্তত ২৪৮ জন নিহত হন। তাদের অনেককে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় সংস্থাটি হত্যাকাণ্ডগুলোকে সিরিয়ার ক্রমেই রক্তক্ষয়ী হয়ে ওঠা সংঘাতের অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যার ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছিল। কায়ালির গ্রেপ্তারের প্রতিক্রিয়ায় সিরিয়ার বিচারমন্ত্রী মাজহার আলওয়াইস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘এই গ্রেপ্তার একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়—সিরিয়ায় অপরাধীদের দায়মুক্তির কোনো সুযোগ নেই। যত সময়ই পেরিয়ে যাক, ভুক্তভোগীদের অধিকার হারিয়ে যাবে না।’ ২০১১ সালে সিরিয়ায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়। সরকার কঠোরভাবে বিক্ষোভ দমন করলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। এতে আধাসামরিক বাহিনী, জিহাদিবাদী গোষ্ঠী এবং বিদেশি শক্তিগুলো জড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাসের দেশ সিরিয়ায় যুদ্ধ ক্রমে সাম্প্রদায়িক রূপ নেয়। বানিয়াস ও বায়দায় হত্যাকাণ্ডকে প্রায়ই সংঘাতের এই সাম্প্রদায়িক মোড় নেওয়ার শুরুর দিকের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০২৪ সালে ইসলামপন্থী একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতৃত্বে দ্রুত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে আসাদ সরকারের পতন ঘটে। পরে ওই গোষ্ঠীই দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করে। এর মধ্য দিয়ে সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটে। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের হিসাব অনুযায়ী, বায়দা ও বানিয়াসে নিহত মানুষের মোট সংখ্যা প্রায় ৪০০। কায়ালি তুরস্কের নাগরিক। ১৯৮২ সালে নিজ দেশে কারাগার থেকে পালিয়ে তিনি সিরিয়ায় চলে যান। পরে সেখানে আসাদ সরকারের মিত্র একটি আধাসামরিক বাহিনী গঠন করেন। সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কয়েক ডজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিচার শুরু হয়েছে গত এপ্রিল মাসে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার গণমাধ্যমবিষয়ক উপদেষ্টা আহমেদ জেইদান কায়ালির গ্রেপ্তারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি কায়ালিকে একজন অপরাধী হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, সিরিয়ার যুদ্ধের সময় বায়দা ও বানিয়াসের হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন গণহত্যায় তিনি জড়িত ছিলেন। জেইদান আরও বলেন, ‘প্রত্যেক খুনি অপরাধীকে খুঁজে বের করা হবে।’ আরটিভি/এসকে
সিরিয়ায় আসাদ আমলের আধাসামরিক বাহিনীর নেতা কায়ালি গ্রেপ্তার 
ইয়েমেনে এবার প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে ঢুকে পড়ল ৫ ক্ষেপণাস্ত্র, বেঁচে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর এডেনে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে আঘাত হেনেছে হুতি বিদ্রোহীরা।
ইয়েমেনে এবার প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে ঢুকে পড়ল ৫ ক্ষেপণাস্ত্র, বেঁচে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের ভয়ংকর ফাঁদ, শিকার পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও
অনলাইনে বিজ্ঞাপনের বিশাল ফাঁদ পেতে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারি এবং তাদের ডিভাইসে আড়িপাতার প্রমাণ পাওয়া গেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। এমনকি তাদের এই ভয়ংকর ফাঁদের শিকার হয়েছে পেন্টাগন, ন্যাটো এবং জাতিসংঘের মতো সংস্থাগুলোও। 
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের ভয়ংকর ফাঁদ, শিকার পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও
সৌদি আরবের নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সম্ভাব্য বিপদের বিষয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করার পরপরই দুই শহরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার খবর জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স।
সৌদি আরবের নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা
হরমুজ প্রণালিতে ২৪ ঘণ্টায় ডুবল দুই জাহাজ, বাড়ছে তেলের দাম
হরমুজ প্রণালির কাছে গত ২৪ ঘণ্টায় অজ্ঞাত বস্তু বা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে গেছে।
হরমুজ প্রণালিতে ২৪ ঘণ্টায় ডুবল দুই জাহাজ, বাড়ছে তেলের দাম
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান যুদ্ধ হলে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াবে ভারত: বিজেপি নেতা
ক্ষুধা-দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর
দুর্গাপূজায় সারাদেশে ২ লাখ ১২ হাজার আনসার মোতায়েন
‘হুরমত’ নিয়ে দর্শকদের মন্তব্যে আবেগাপ্লুত অভিনেত্রী দানানীর মোবিন