ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ট্রাফিক সিগন্যাল বাতির রঙ লাল-হলুদ-সবুজ হয় কেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১১:৪৫ এএম

রাজধানীর রাস্তায় যানজট যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। কিন্তু সেই ব্যস্ত সড়কে চলার সময় সবার চোখই থাকে ট্রাফিক সিগন্যালে থাকা লাল, হলুদ ও সবুজ বাতির দিকে। কখনও কি ভেবে দেখেছেন—কেন ঠিক এই তিনটি রঙই ব্যবহার করা হয়?

শুরুটা ছিল বিশৃঙ্খলা থেকে

বিশ শতকের শুরুতে শহরগুলোতে গাড়ির সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। একই রাস্তায় চলত ট্রেন, ঘোড়ার গাড়ি, বাইসাইকেল ও পথচারী। ফলে দুর্ঘটনাও বাড়তে থাকে। তখন রাস্তা নিয়ন্ত্রণ করতেন পুলিশ, হাতের ইশারায়। পরে প্রয়োজন পড়ে একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা।

কেন এই তিন রঙ ব্যবহার হয়-

লাল রঙ

লাল মানে বিপদ বা থামো। এটি মানুষের দৃষ্টি দ্রুত আকর্ষণ করে এবং সতর্ক সংকেত দেয়। দূর থেকেও সহজে দেখা যায় বলে এটি থামার সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন

সবুজ রঙ

সবুজ মানে চলতে পারো বা নিরাপদ। আগে সাদা আলো ব্যবহার হলেও পরে বিভ্রান্তি এড়াতে সবুজ রঙ চালু করা হয়। চোখও এই রঙ সহজে চিনতে পারে।

হলুদ রঙ

হলুদ মানে সতর্ক হও। এটি জানিয়ে দেয় যে সিগন্যাল শিগগিরই পরিবর্তন হবে। দুর্ঘটনা কমাতে এই সতর্ক সংকেত যুক্ত করা হয়।

ইতিহাসের শুরু কোথায়

১৮৬৮ সালে লন্ডনে প্রথম ট্রাফিক সিগন্যাল চালু হয়। তখন গ্যাস বাতি ও হাতের সংকেত ব্যবহার করা হতো। পরে ১৯১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাফিক বাতি তৈরি হয়। এরপর ধীরে ধীরে আধুনিক তিন রঙের সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু হয়।

বর্তমান ট্রাফিক সিগন্যাল শুধু যান চলাচল নিয়ন্ত্রণই করে না, বরং দুর্ঘটনা কমিয়ে সড়ককে নিরাপদ রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
রিও সিনেমার সেই নীল পাখি কি সত্যিই বিলুপ্ত
যে গোলাপি কেকের প্রেমে মশগুল বিশ্বখ্যাত স্টাইল আইকনরা
হেরাথের ১৪ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিলেন মিরাজ
ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ আরও ৫০ মোড়ে বসছে এআই ট্রাফিক সিগন্যাল