বন্ধুর ব্রেকআপের একই গল্প বারবার শোনা অনেক সময় বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। বিষয়টি একেবারেই স্বাভাবিক, তবে দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে তা নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে সহানুভূতি বজায় রেখেও নিজের সীমা নির্ধারণ করা জরুরি।
ভদ্রভাবে বিষয় ঘোরানো
বন্ধু যখন বারবার একই দুঃখের গল্প বলতে শুরু করে, তখন সরাসরি বিরক্ত না দেখিয়ে প্রসঙ্গ পরিবর্তন করা ভালো। যেমন— আমি বুঝতে পারছি তোর কষ্ট হচ্ছে, চল একটু বাইরে যাই বা অন্য কিছু করি। এতে বন্ধুও যেমন একঘেয়েমি থেকে কিছুটা বের হতে পারে, তেমনি আলোচনাও নতুন দিকে যায়।
নিজের সীমা স্পষ্ট করা
প্রয়োজনে শান্তভাবে জানানো যেতে পারে যে, একই বিষয় বারবার আলোচনা করলে তা বন্ধুর মানসিক অগ্রগতিতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। ভালোবাসা বজায় রেখেই সীমা নির্ধারণ করা উচিত।
পেশাদার সাহায্যের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রেকআপের মানসিক যন্ত্রণা দীর্ঘস্থায়ী হলে কাউন্সেলিং বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উপকারী হতে পারে। বন্ধুকে এ বিষয়ে উৎসাহ দেওয়া তার সুস্থতার জন্য সহায়ক হতে পারে।
প্রয়োজন হলে দূরত্ব রাখা
যদি পরিস্থিতি খুব বেশি ক্লান্তিকর হয়ে ওঠে, তবে সাময়িকভাবে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখা মানসিক শান্তির জন্য জরুরি হতে পারে।
ব্যস্ততার অজুহাতে বিরতি
বন্ধু যদি বারবার একই কথা বলতে চায়, তখন ভদ্রভাবে অন্য কাজের অজুহাতে আলাপ সংক্ষিপ্ত করা যেতে পারে।
বন্ধুর দুঃসময়ে পাশে থাকা গুরুত্বপূর্ণ, তবে নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করে নয়। সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখেই সহানুভূতি দেখানো সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়।
আরটিভি/জেএমএ




