ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

নিজের সঙ্গে ভালো থাকার সহজ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১০:৩৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

আমরা সারাদিন কাজ, দায়িত্ব, সম্পর্ক আর প্রত্যাশার ভিড়ে এতটাই ব্যস্ত থাকি যে নিজের কথাই শুনতে ভুলে যাই। দিনের শেষে শরীরের চেয়ে বেশি ক্লান্ত থাকে মন। কিন্তু নিজের সঙ্গে ভালো থাকা মানে বড় কিছু নয়—নিজের পাশে একটু দাঁড়ানো, নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া।

নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিন

অনেক সময় আমরা আমি ঠিক আছি বলে নিজের কষ্ট চেপে রাখি। কিন্তু মন খারাপ, ক্লান্তি বা চাপকে এড়িয়ে গেলে তা আরও বাড়ে। তাই কখনও কখনও একটু চুপ করে বসে নিজের মনকে শোনা জরুরি। চাইলে ডায়েরিতে লিখে রাখতে পারেন, আজ কী আপনাকে ভালো বা খারাপ লাগিয়েছে।

নিজের জন্য সময় রাখুন

নিজের জন্য সময় মানে বড় কিছু নয়। সকালে ১০ মিনিট হাঁটা, প্রিয় গান শোনা বা বই পড়া—এই ছোট মুহূর্তগুলোই মনকে হালকা করে। কারও সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, নিজের শান্তিটাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

না বলতে শিখুন

সবাইকে খুশি করতে গিয়ে আমরা নিজের শক্তি শেষ করে ফেলি। যেখানে দরকার, সেখানে না বলতে পারা মানসিক শান্তির জন্য খুব জরুরি।

ছোট অর্জনকে গুরুত্ব দিন

বড় সাফল্যের অপেক্ষায় না থেকে ছোট অর্জনকেও গুরুত্ব দিন। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং মন ভালো থাকে।

আরও পড়ুন

তুলনা করা বন্ধ করুন

অন্যের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করলে মন খারাপ হয়। প্রত্যেকের জীবন আলাদা গতিতে চলে। নিজের ছোট অগ্রগতিও মূল্যবান।

বিশ্রাম ও যত্ন নিন

পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার আর ছোট বিরতি—এসবই শরীর ও মনকে শক্ত রাখে। কাজের মাঝে একটু থেমে নেওয়াও প্রয়োজন।

নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন

ভুল হলে নিজেকে দোষ না দিয়ে বুঝিয়ে বলুন। অতীতকে বদলানো যায় না, কিন্তু নিজেকে ভালোভাবে সামলানো যায়।

নেতিবাচক মানুষ এড়িয়ে চলুন

যারা সবসময় নেতিবাচক কথা বলে, তারা মানসিক শক্তি কমিয়ে দেয়। তাই তাদের থেকে দূরে থাকা ভালো।

প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটান

খোলা আকাশ, গাছপালা আর হালকা বাতাস মনকে শান্ত করে। প্রতিদিন একটু সময় প্রকৃতির সঙ্গে কাটানোর চেষ্টা করুন।

নিজের সঙ্গে ভালো থাকা কোনো বিলাসিতা নয়, এটাই মানসিক শান্তির প্রথম শর্ত।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে