চোখের চারপাশের ত্বক মুখের সবচেয়ে নরম আর সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশগুলোর একটি। এই পাতলা ত্বকে প্রাকৃতিক তেল বা সেবামও থাকে খুবই কম, তাই একটু অবহেলা হলেই সেখানে দেখা দেয় শুষ্কতা, কালচে দাগ, বলিরেখা কিংবা ফোলাভাব। ব্যস্ত জীবন, কম ঘুম আর মানসিক চাপের ভারে সবচেয়ে আগে ক্লান্তির ছাপ পড়ে এই চোখের নিচেই—যেন মুখের সৌন্দর্যের আয়নাতেই ধরা পড়ে যায় পুরো দিনের ক্লান্ত গল্প।
অনেকেই চোখের যত্নে শসা বা টি-ব্যাগ ব্যবহার করলেও তা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান নয়। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক আন্ডার আইক্রিম ব্যবহারই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চোখের সমস্যার ধরন অনুযায়ী আন্ডার আইক্রিম বেছে নেওয়া জরুরি। একই ক্রিম সবার জন্য কার্যকর নাও হতে পারে।
আন্ডার আইক্রিম কেনার সময় যেসব বিষয় মাথায় রাখা জরুরি
কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল
চোখের নিচে কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল থাকলে ভিটামিন সি, নিয়াসিনামাইড, কোজিক অ্যাসিড বা লিকোরাইস রুট সমৃদ্ধ আন্ডার আইক্রিম ব্যবহার করা ভালো। এগুলো ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
ফোলাভাব
চোখের নিচে ফোলাভাব থাকলে ক্যাফেইন, গ্রিন টি বা পেপটাইড যুক্ত আন্ডার আইক্রিম উপকারী হতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেন বিশেষজ্ঞরা।
বলিরেখা
বয়সজনিত বলিরেখা দূর করতে রেটিনল ও পেপটাইড সমৃদ্ধ আন্ডার আইক্রিম কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ত্বক শুষ্ক বা সংবেদনশীল
অন্যদিকে যাদের ত্বক শুষ্ক বা সংবেদনশীল, তাদের জন্য হাইলুরনিক অ্যাসিড, সেরামাইড বা স্কোয়ালেনযুক্ত আন্ডার আইক্রিম ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক উপাদান ও ত্বকের ধরন বুঝে আন্ডার আইক্রিম ব্যবহার করলে চোখের চারপাশের ক্লান্তি, কালি ও ফোলাভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
আরটিভি/জেএমএ




