ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখার সেরা ৩ ইনডোর প্লান্ট

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখার সেরা ৩ ইনডোর প্লান্ট। ছবি: সংগৃহীত

ঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি বাতাসকে কিছুটা পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করতে পারে গাছপালা। আধুনিক অন্দরসজ্জায় সবুজ গাছ এখন শুধু শোভাবর্ধন নয়, বরং স্বাস্থ্য ও স্বস্তির প্রতীক হিসেবেও জায়গা করে নিয়েছে।

তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—ঘরের বাতাস সবচেয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে কোন ইনডোর প্লান্ট বা গাছ?

নাসার গবেষণার চমকপ্রদ তথ্য

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ১৯৮৯ সালে একটি গবেষণায় দেখায়, নির্দিষ্ট কিছু ইনডোর গাছ সীমিত ও বন্ধ পরিবেশে বাতাসের ক্ষতিকর গ্যাস কমাতে পারে।

গবেষণায় দেখা যায়, কার্বন মনোক্সাইড, বেনজিন ও ফরমালডিহাইডের মতো ক্ষতিকর গ্যাস কমাতে বিভিন্ন গাছ ভিন্ন ভিন্নভাবে কাজ করে।

একটি পরীক্ষায় দেখা যায়—

  • স্পাইডার প্লান্ট কার্বন মনোক্সাইড কমাতে সবচেয়ে কার্যকর
  • ফিলোডেনড্রন ফরমালডিহাইড দূর করতে বেশি সক্ষম
  • জারবেরা ডেইজি বেনজিন কমাতে সাহায্য করে

তবে এই পরীক্ষাগুলো ছিল সম্পূর্ণ বন্ধ পরিবেশে, যা বাস্তব ঘরের পরিবেশের সঙ্গে পুরোপুরি মিল নয়।

আরও পড়ুন

বাস্তব ঘরে গাছ কতটা কার্যকর

গবেষকরা বলছেন, বাস্তব ঘরে গাছ বাতাস কিছুটা পরিষ্কার করতে পারে, আর্দ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং মানসিক প্রশান্তি দেয়। তবে শুধু গাছের ওপর নির্ভর করে ঘরের বাতাস সম্পূর্ণভাবে বিশুদ্ধ করা সম্ভব নয়।

বাতাস ভালো রাখতে নিয়মিত জানালা খুলে বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

ঘরের বাতাস ভালো রাখার সেরা ৩ গাছ বা ইনডোর প্লান্ট

১. স্পাইডার প্লান্ট

লম্বা পাতার এই গাছ ঘরের বাতাসে থাকা কিছু ক্ষতিকর উপাদান কমাতে সাহায্য করে। এর ছোট ছোট চারা গাছ দেখতে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

spider-plant
স্পাইডার প্লান্ট

২. ফিলোডেনড্রন

হৃদয় আকৃতির পাতার এই গাছ সহজে ঘরের ভেতরে বেঁচে থাকে। ফরমালডিহাইড নামের ক্ষতিকর গ্যাস কমাতে এটি বিশেষভাবে কার্যকর।

grow-philodendron-houseplants
ফিলোডেনড্রন

৩. জারবেরা ডেইজি

রঙিন ও উজ্জ্বল ফুলের এই গাছ ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায় এবং কিছু বিষাক্ত উপাদান কমাতেও ভূমিকা রাখে।

gerbera-daisy
জারবেরা ডেইজি

গাছ শুধু ঘরকে সুন্দরই করে না, বরং মানসিক প্রশান্তি ও স্বস্তির অনুভূতিও দেয়। তবে গবেষণা বলছে, গাছের পাশাপাশি সঠিক বাতাস চলাচলই ঘরের পরিবেশকে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
ঘরের বাতাসেই ঘুরছে অদৃশ্য কণা, ঝুঁকিতে শরীর